দুর্গাপূজা ঘিরে জমে উঠছে পূজার মার্কেট
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৩, ০৮:০৩ পিএম
ঘরে ঘরে এখন দেবীদূর্গার আগমনি বার্তা। দুর্গাপুজো মানেই নতুন জামা, জুতো ও জামার সঙ্গে ম্যাচিং করে টুকিটাকি সাজসরঞ্জাম। প্রতিমা সাজানোর পাশাপাশি এ উৎসবকে কেন্দ্র করে নগরীর মার্কেটগুলোতে জমে উঠেছে কেনাকাটা। জানা গেছে সনাতন ধর্মাবলম্বিদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হতে যাচ্ছে ২০ অক্টোবর।
আর এই পূজা উপলক্ষে কাপড়ের মার্কেট ও শোরুমগুলোতে সাজিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন রংয়ের থ্রি-পিস, জামদানি শাড়ি, কাতান শাড়ি ও তাতের শাড়ি। ছেলেদের জন্য রয়েছে বাহারি ডিজাইনের ধুতি, শর্ট পাঞ্জাবি, শার্ট, টি-শার্ট ও প্যান্ট ও রয়েছে বাচ্চাদের বাহারি পোশাক। পোশাকের পাশাপাশি মেয়েঁদের জুয়েলারি সিদুঁর, চুরিসহ অন্যান্য অনুষঙ্গ বেশ ভালোই বিক্রি হচ্ছে বলে জানান
দোকানিরা। কালিবাজার ফ্রেন্ডস মার্কেট এ বিক্রেতা সুমন সাহা বলেন, এখন বিক্রি মন্দের ভালো বলা যায়। জীবনযাত্রায় ব্যয় বেড়ে গেছেএর ফলে মানুষ পোষাকও কম কিনছে। পূজোর শপিং করতে আসা গিতা রানি এবার পুজোয় গ্রামের বাড়ি যাবেন তাই বাড়ির সবার জন্য পোশাক কিনেছেন। তিনি বলেন, মায়ের জন্য শাড়ি, বাবার জন্য ধুতি-পাঞ্জাবি কেনা হয়েছে। ফুটপাতে কেনাকাটা করতে
আসা ক্রেতা বিপ্লব সাহা বলেন, ফুটপাতের দোকানগুলোতে লুঙ্গি, জামাকাপরের দাম কম হওয়ায় আয়ের মানুষ সেখান থেকে চাহিদা অনুযায়ি কেনাকেটা করছেন। পুজোর আগে পোশাকের দাম স্বাভাবিক থাকলেও পুজোর সময় ব্যবসায়রিা বিভিন্ন পোশাকের দাম বাড়িয়ে দেন। ফলে বাধ্য হযে বেশি দামেই কিনতে হচ্ছে পোশাক।
অন্যান্য শপিংমল গুলো ঘুরে দেখা যায় কেউ কিনছে শাড়ি, কেউ পাঞ্জাবি, কেউ আবার কিনছে জুতা। প্রায় সবার হাতেই ছিল শপিং ব্যাগ। ফুটপাত থেকে শুরু করে শপিংমলগুলোতেও প্রতিটি দোকানেই ছিল ক্রেতা। দোকানিরা জানালেন,পুজা উপলক্ষে ফুটপাত ও মার্কেটগুলোতে নতুন পোশাক জুতা ও কসমিটিকের সমাহর থাকলেও কোরনাভাইরাস যাওয়ার পর পরই মানুষের আয়ও এখন কমে
গেছে। যার কারনে ক্রেতাদের ভিরও কিছুটা কম। আর কয়েকদিনের মধ্যে ক্রেতাদের ভির বাড়বে বলে আশা করছেন বিক্রেতারা। আর এ বিক্রি চলবে পুজা পরবর্তি ১ সপ্তাহ পর্যন্ত। এন. হুসেইন রনী /জেসি


