দাপা হাইস্কুলের শিক্ষক শাহ আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়
আরিফ হোসেন
প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৩, ০৪:১৬ পিএম
# এমপিও ভূক্ত শিক্ষক হয়েও সেই স্কুল ফাঁকি দিয়ে ক্লাস করান নিজের স্কুলে
# তদন্তের জন্য লোক পাঠাবো, প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা : জেলা শিক্ষা অফিসার
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা দাপা ইদ্রাকপুর এলাকায় দাপা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহ আলমের বিরুদ্ধে নানান অনিয়মের পাহাড় জমেছে।
জানা যায়, দাপা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে তিনি ধীর্ঘদিন যাবৎ শিক্ষকতা করে আসছেন । তবে বিভিন্ন সময়ই তার বিরুদ্ধে নানান রকম অভিযোগ থাকলেও অনেকেই মুখ খুলতেন না।
তবে তার অনিয়ম এখন প্রকাশ্যে চলে এসেছে খোঁজ নিয়ে জানা যায় দাপা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন সরকারী শিক্ষক হওয়া সত্বেও তিনি একই এলাকায় তিনি আরেকটি বিদ্যালয় গড়ে তুলেছেন যে বিদ্যালয়টির নাম সেহাচর আইডিয়াল স্কুল।
আর তিনি দাপা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এমপি ভূক্ত একজন শিক্ষক হয়েও তিনি সেই বিদ্যালয়ে নাম মাত্র হাজিরা দিয়ে আবারো চলে যান তার ব্যাক্তিগত স্কুল সেহাচর আইডিয়াল স্কুলে ক্লাস করাতে এবং তার ইচ্ছে মতো তিনি বিদ্যালয়ে আসেন।
শুধু তাই নয় দাপা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তার বিদ্যালয় সেহাচর আইডিয়ালে পড়ার জন্য উদ্ভুদ্ধ করেন এমনকি অনেক শিক্ষার্থীও সেই স্কুলে চলে গেছেন। তার এমন কর্মকান্ডে শিক্ষার্খী শিক্ষাদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তার এমন নিয়ম বহির্ভূত কাজের জন্য ।
শুধু তাই নয় বিভিন্ন সময় এই স্কুলের অনিয়মের কারনে দিন দিন কমেই চলছে এই দাপা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। দুই বছর আগেও এই স্কুলটিতে প্রায় ১২০০ শিক্ষাথী থাকলেও এখন তা নেমে এসেছে পাঁচ শততে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক শাহ আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন , আমি সকালে একবার দাপা আদর্শ বিদ্যালয়ে আসি , তারপর ক্লাস করাই এরপর আমার ওই স্কুলে যাই আবার ১২ টার আগে চলে আছি তার আগেও আসি, আজকে একটু বাজার করতে গিয়েছিলাম।
আমার ওই স্কুলে সব সময় যাই না মাঝে মাঝে যাই। তবে আমার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ আনা হয়েছে সেটা সত্য নয় সবারই কোন না কোন শত্রæ থাকে আমারো আছে হয়তো তারাই আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে।
এমনকি দাপা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বেশ কিছুদিন যাবৎ কোন কারণ ছাড়াই স্কুলে অনুপস্থিত আছেন। যার কারনে শিক্ষার্থীদেরও পড়তে হচ্ছে নানান সমস্যায়।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার আবু তালেবের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সে এক স্কুলে ক্লাস শেষ না করে অন্য কোন স্কুলে যেতে পারেনা। আর সে যে এরকম করে সেটা কি প্রধান শিক্ষক জানেনা। আমি তার ব্যাপারে তদন্তের জন্য লোক পাঠাবো যদি প্রমানিত হয় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর দিন দিন শিক্ষার্থী কেন কমে যাচ্ছে এ বিষয়টিও আমরা খতিয়ে দেখছি। এন.হুসেইন রনী /জেসি


