শাক-সবজিতে কিছুটা স্বস্তি বেড়েছে চালের দাম
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১১ নভেম্বর ২০২৩, ০২:৩৭ পিএম
শাক সবজি, ডিমসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাজারে কমতে শুরু করেছে। প্রতি কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে আলু এবং পেয়াজের দাম গত সপ্তাহে যা ছিলো সে দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে। অন্যদিকে বাড়তির দিকে চালের দাম। গতকাল নারায়ণগঞ্জের পাইকারি সবজি বাজার এবং পাইকারি চালের বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া যায়।
পাইকারি সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, করলা ৮০ টাকা থেকে ৩০ টাকা কমে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৮০ টাকা বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে। ৬০ টাকার মুলা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা দরে। ৭০ টাকার ঢেড়স ৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। শীতকালীন আগাম যেসব সবজি বাজারে প্রথমে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছিল সেসব সবজিও প্রায় অধ্যেক দামে বিক্রি হচ্ছে।
গত সপ্তাহে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হওয়া এই সপ্তাহে ৬০ টাকা দওে বিক্রি হচ্ছে। শীত কালীন অন্যান্য সবজির দামই কমতির দিকে। পাইকারি এক সবজি বিক্রেতা বলেন, বাজারে শীতকালীন সবজি আসতে শুরু করেছে একারণে দাম কমতির দিকে। ডিমের বাজার ঘুরে দেখা যায়, মুরগির প্রতি হালি ডিম ৫৫ থেকে ৫৭ টাকা দরে বিক্রি হতো তা এখন ৫-৬ টাকা দমে ৫০-৫১ টাকা দওে বিক্রি হচ্ছে।
হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা দরে। এ বিষয়ে বাজার এক ক্রেতা বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে বাজারের এসে একটু স্বস্তি লাগছে। এভাবে যদি জিনিসের দাম কম থঠশলে তাহলে দেশে এত মিছিল হয় না। অন্যদিকে বাজাওে আলুর প্রতি পাল্লা বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা দরে। ইন্ডিয়ান পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি পাল্লা ৩৫০ টাকা করে এবং দেশি পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬২০ টাকা দরে।
পাইকারি নিতাইগঞ্জের চালের বাজাওে ঘুওে জানা যায়, আটাইশ চালে দাম বেড়েছে ২ থেকে ৩ টাকা। আগে বিক্রি হতো ৪৮ টাকা দরে যা দাম বেড়ে এখন ৫১-৫২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাইজাম চাল আগে বিক্রি হতো ৪৮-৪৯ টাকা যা এখন বিক্রি হচ্ছে ৫৩-৫৫ টাকা দরে। এ বিষয়ে হানিফ নামে এক চাল ব্যবসায়ী বলে, হরতাল- অবরোধের কারনে গাড়ি বাজারে আসতে পারছে না।
কারন ড্রাইভাররা অবরোধের ভয়ে অনেকেই আসতে চায় না। আবার যারা আসতে চায় তারা ভাড়া বেশি চায়। এ বিষয়ে এক চাল ক্রেতা বলেন, এক দিকে দাম কমে আবার আরেক দিকে দাম বাড়ে। গতকাল বাজারে দেখলাম নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমেছে আজকে চাল কিনতে এসে দেখি চালের দাম বেড়ে গেছে।


