অস্থির আলুর বাজার অস্বস্তিতে ক্রেতা
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৭:৫৩ পিএম
দিন দিন আলুর দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষের হাতে নাগালে চলে যাচ্ছে পণ্যটি। নতুন আলু এবং আমদানি করা আলু বাজারে আসলেও দামের কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। গত কয়েক মাস আগে নারায়ণগঞ্জের পাইকারি বাজারগুলোতে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছিল আলু। এরপর গত ১৪ সেপ্টেম্বর আলুর দাম খুচরা পর্যায়ে ৩৫-৩৬ টাকা নির্ধারণ করে দেয় সরকার। কিন্তু এতে দামের কোনো পরিবর্তন আসেনি ।
ফের গত ৩০ নভেম্বর ( বৃহস্পতিবার) আলুর দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এরপরেও গত সপ্তাহের দামেই আলু বিক্রি হতে দেখা গেছে বাজারে। বর্তমানে প্রতি কেজি আলু খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা দরে। এছাড়া বিভিন্ন পারা-মহল্লা বিক্রি ৫৫-৬০ টাকা দরে। গতকাল পাইকারি দিগুবাবুর বাজার ঘুরে জানা যায়, খুচরায় প্রতি কেজি পুরাতন আলু তারা বিক্রি করছে ৫০ টাকা দরে। প্রতি পাল্লা আলু (৫ কেজি) বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা দরে। দিগুবাবুর বাজারে পাইকারি আলু
বিক্রিতা বলেন, বর্তমানে বাজারে নতুন আলু আসছে। নতুন জিনিসের প্রথমে দাম একটু বেশি থাকে যে কারনে প্রতি কেজি নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা করে। দাম বেশি থাকার কারণে সবাই পুরাতন আলু কিনছে। এতে যে পরিমানে আলু দরকার তার থেকে অর্ধেক পাচ্ছি। সরবরাহ না বাড়িয়ে আলুর দাম কমানো যাবে না। খুচরা বিক্রেতার হারুনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, পাইকারি পর্যায়ে দাম যদি না কমে আমরা কি করবো। কয়েকদিন আগে আমি ৬৫
কেজি এক বস্তা আলু কিনছি ২ হাজার ৯৯০ টাকা দিয়ে। আমি প্রতি কেজি আলু বিক্রি করছি ৪৮-৫০ টাকা করে। বিষয়ে ভোক্তা অধিদপ্তর এর সহকারি পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামান যুগের চিন্তাকে বলেন, আমাদের লোকবল কম থাকার কারণে আমরা সঠিক ভাবে কাজটা করতে পারছি না। তবুও আমি প্রানপণ চেষ্টা করছি যেন বাজারের দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ থাকে।


