তরলকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ভোক্তা পর্যায়ে ফের ৫০ থেকে ৭০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। কয়েক মাস যাবৎ নগরী জুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট থাকার কারনে চাহিদাও বেড়েছে এলপিজি গ্যাসের। আন্তজার্তিকভাবে বাজারমূল্য এবং পরিবহনসহ ব্যয় হিসাবের প্রতি মাসে এলপিজির দাম নিধারণ করে দেয় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন ( বিইআরসি)।
গত মাসে (নভেম্বর) প্রতি ১৮ কেজি এলপিজি বিক্রি হয়েছে ১৩৯০ টাকা। যা গত মাসের তুলনায় এ মাসে ৭০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। চলতি মাসের ভোক্তা পর্যায়ে ১৮ কেজি সিলেন্ডার বিইআরসি ১৪০৪ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৪৫০ টাকা। এ বিষয়ে জামতলা এলাকার সুজন নামে এলপি ব্যবসায়ী বলেন, ডলারে দাম বেশি হলে গ্যাসের দামও বাড়বে ডলারের দামে প্রতিদিনই উঠা-নামা করে। আজকে বাড়লো তো আবার কালকে কমে যায়। তার উপরে কাচামালেরও দাম বেশি।
একই বিষয়ে দেওভোগের এলাকার রুবেল নামে এলপি ব্যবসায়ী বলেন, এলপির দাম কয়েকমাস ধরেই বেড়েই চলছে। সামনে আরো বেড়ে যেতে পারে।
সালমা নামে এক ক্রেতা বলেন, এলপির দাম বাড়লে কি আর করবো। বর্তমানে গ্যাসের যে পরিস্থিতি। নিভু নিভু আগুনে রান্না করা যায়। এছাড়া ভোর ৫টায় উঠলেও দেখা যায় চুলায় গ্যাস নাই। আর দিনের বেলাতে গ্যাস ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখার মতো। তাই বাধ্য হয়েই বেশি টাকা দিয়ে সিলেন্ডার কিনে নিয়ে যাচ্ছি।


