ধলেশ্বরী নদীর দুই পারে অবৈধভাবে মাটি কাটার মহোৎসব
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৩:৩৫ পিএম
# অনুমতি না থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : নৌ পুলিশ সুপার
সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নের ধলেশ্বরী নদীর দুইপাড়ে অবৈধ ভাবে নদী থেকে মাটি কাটার মহোৎসবে মেতেছে ইট খোলার মাটি ব্যবসায়ীরা। বক্তাবলী ঘাটের দুইপার থেকে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ভাবে মাটি উত্তলন করে দুইটি গ্রুপ।
যাদের মধ্যে নদীর এপাড়ে ঘাটের সাথে দুইটি মাটি কাটার মেশিন দিয়ে বিএনপি নেতা ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বাবুল এর ভাই মাসুম এবং নদীর ওপাড়ে চেয়ারম্যান শওকত আলীর এর ইটখোলার সামনে সুভন, মিন্টু, সারজাহান, সোরাব, ও জাকির বাহিনী মিলে চালিয়ে যাচ্ছে এসব মাটি কাটার মেশিন। তারা নদীর থেকে অবৈধ ভাবে মাটি বিক্রি করে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাক।
বক্তাবলী ঘাটের ওপাড়ে চেয়ারম্যান এর খোলার সামনে প্রায় ৪ মাস ধরে ৩/৪টি মেশিন দিয়ে চলছে এসব মাটি কাটা এবং ঘাটের পাশে থেকে মাটি উত্তলন করছে মাসুম প্রায় মাস খানেক ধরে যা নদী ও পরিবেশ এর জন্য অনেকটাই ঝুকিপূর্ন তবে নদী থেকে মাটি কাটার নেই কোন ধরনের অনুমতি।
বক্তাবলী ইউনিয়নের দুইপার থেকে প্রতিদিন প্রায় ৯০/১০০ ট্রলার মাটি বিক্রি করছে তারা যা প্রতি ট্রলার মাটির মূল্য ৬/৭ হাজার টাকা তাতে প্রতিদিন তারা হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। আর সেই টাকা সরকারে বিভিন্ন দপ্তরে ভাগ যায় বলেও জানান চক্রটির বেশ কয়েকজন। তারা বলেন আমরা যে মাটি উত্তলন করি সেটা সকলের জানা আছে এক টাকা অনেক খানে ভাগ দিতে হয়। বক্তাবলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম শওকত আলীর নাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ভাবে এ মাটি উত্তলন করে আসছে এ চক্রটি।
বিষয়ে বক্তাবলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এম শওকত আলী বলেন, যারা খারাপ কাজ করে আমি তাদের সাথে নাই। তাদের আমি অনেকবার না করেছি তারা কথা সুনে না আমি কিছুদিন আগে অনেক কষ্ট করে বন্ধ করে দিয়েছিলাম কি ভাবে জানি আবার এটা চালু করেছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা নৌ পুলিশ সুপার মীনা মাহামুদ বলেন, তাদের কোন ধরনের অনুমতি যদি না থাকে তাহলে তারা মাটি উঠাতে পারবেনা আমি বিষয়টি দেখছি।


