Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

ছাপাখানায় নির্বাচনের মৃদু হাওয়া

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৯:১৬ পিএম

ছাপাখানায় নির্বাচনের মৃদু হাওয়া
Swapno

 

জাতীয় নির্বাচন কে ঘিরে নারায়ণগঞ্জে দেখা যাচ্ছে না তেমন কোনো নির্বাচনী প্রচারণা। তার প্রভাব পড়ছে নারায়ণগঞ্জের ছাপাখানা গুলোতেও। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জের ছাপাখানা গুলোতে নেই তেমন কোনো নির্বাচনী আমেজ। ছাপাখানা গুলোতে প্রতিবার নির্বাচনের কাজ থাকলেও এবার যেন নির্বাচনের কোনো ছায়াও পড়েনি এসব ছাপা খানায়।

 

দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে যাচাই-বাছাই ও প্রার্থী প্রত্যাহারের পর নারায়নগঞ্জের ৫ টি আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচন করা হয় ৩৮ জন এবং গত ১৮ ডিসেম্বর নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ করে দেওয়া হয় প্রার্থীদেও মাঝে। তুলনা মূলক ভাবেই গত কয়েকবারের নির্বাচনের তুলনায় এ বছর নির্বাচনের প্রচারণার কাজ নারায়ণগঞ্জের ছাপাখানা গুলোতে নেই বললেই চলে।

 

রায়ণগঞ্জের ছাপাখানা মালিকরা জানান তারা প্রতিবার নির্বাচনের সময় ছাপাখানায় নির্বাচনের প্রচারণার জন্য কম বেশি এসব পোস্টার লিফলেট বানানোর কাজ করে থাকেন। এ বছর নির্বাচনের পোস্টার বা লিফলেট বানানোর কোন অর্ডার পাইনি। তারা আরো বলেন, নির্বাচনের কাজ সব ছাপাখানায় না থাকলেও দু একটা ছাপাখানায় নির্বাচনের কাজ করা হয়।

 

নির্বাচনে ছাপাখানা গুলোতে কাজ না থাকার মূল কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা মনে করছেন এ বছর নির্বাচনের কোন প্রতিদ্বন্দ্বীতা না থাকার ফলেই নির্বাচনের প্রচারণার কাজ কম হওয়ায় প্রার্থীরা প্রচারণার দিকে কম গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাদের মতে প্রতিদ্বন্দ্বীতা থাকলে নির্বাচনের প্রচারণার গুরুত্ব বাড়তো।

 

নারায়ণগঞ্জ ২ নং গেট এলাকার ওসমান প্রিন্টিং নামের এক ছাপাখানার মালিকের সাথে নির্বাচনের সময় তাদের কাজকর্ম কেমন চলছে এমন আলাপ আলোচনায়, তিনি বলেন নির্বাচনের সময় অনুযায়ী তেমন কোন কাজ নেই। আমরা বুঝেছিলাম প্রতীক বরাদ্দ হওয়ার পর নির্বাচনের প্রচারণার জন্য লিফলেট পোস্টার ব্যানার এসবের কাজ আসবে এবং কাজের চাপও বাড়বে তবে আমাদের সেই আশামতো  তেমন কোনো কিছুই ঘটেনি।

 

তবে সে হিসেবে বিগত বছরের তুলনায় নির্বাচনের আমেজটা কম থাকায় কাজের সংখ্যাটাও তুলনামূলক কম তবে দু একটা প্রিন্টিং কারখানায় নির্বাচনের কাজ পেয়েছেন, তবে তা স্বল্প পরিমানের। কিন্তু যদি বলি গত দু-তিনবারের নির্বাচনেও নির্বাচনের তেমন কোন প্রচারণার কাজ আমাদের প্রিন্টিং কারখানায় হয়নি।

 

২নং রেল গেট এলাকার সাহা প্রিন্টের মালিক যুগের চিন্তা কে বলেন, নির্বাচনের কোন কাজ আসেনি। প্রতিবারই মোটামুটি কাজ থাকে তবে এবার কাজ একেবারে নেই বললেই চলে।

 

নির্বাচনে পোস্টার ছাপানোর অর্ডার পাওয়া এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশে অনিচ্ছা পোষন করে যুগের চিন্তাকে বলেন, নির্বাচনের প্রতিবছরের তুলনায় এ বছর কাজ সত্যিই কম। আমার কাছে প্রতিবার নির্বাচনের সময় পোস্টার ছাপানোর কাজ আসে তবে এই নির্বাচনেও এসেছে কিন্তু খুব কম। এখন বর্তমানে এই নির্বাচনের কাজের জন্য আমার কারখানায় ৭০ থেকে ৮০ জন কর্মচারী কাজ করছে। তবে সমস্যা হচ্ছে প্রতিবারের তুলনায় আমরা এবার পয়সা কম পাচ্ছি।

 

গতবার নির্বাচনের কাজে কাগজ ও কালির দাম কম ছিল তখন আবার নিজের কিছুটা লাভ হয়েছে। তবে এ বছর কাজের তুলনায় লাভের পরিমাণটা কম এই কাজে যা রেট নেওয়া হচ্ছে তার পুরোটাই শেষ হয়ে যাচ্ছে কাগজ আর কালির পিছনে আর প্রফিট টা কম থাকছে। এই জন্য যে গতবার জিনিসপত্রের দাম তুলনামূলক কম ছিল এবার সব কিছুর দামি বেশি।এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন