আদমজী ইপিজেডে কারখানা পরিদর্শনে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৫:২২ পিএম
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন আহমেদ, ‘গার্মেন্টস সেক্টর বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ একটি সেক্টর। এই সেক্টরের শ্রমিকদের সঠিক কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। সুুন্দর কর্মপরিবেশে কর্মীরা তাদের শ্রমের বিনিময়ে সঠিক মজুরি পেলে আমরা গর্ব করে বলতে পারবো যে আমরা শ্রমের সঠিক মূল্যায়ন করি ৷
যাতে অন্যায়ভাবে কেউ আমাদের কোন কথা বলতে না পারে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের আদমজীতে ইপিজেডে উর্মি গ্রুপের ইউএইচএম লিমিটেড নামে কারখানা পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় কারখানাটিতে কর্মরত শ্রমিকদের সাথে কথা বলেন কমিশনের চেয়ারম্যান।
তিনি শ্রমিকদের কর্মপরিবেশের পাশাপাশি কারখানাটির ক্যান্টিন, মেডিকেল সেন্টার, চাইল্ড কেয়ার কক্ষ ঘুরে দেখেন। জানতে চান, শ্রমিকরা পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন কিনা, নতুন নির্ধারিত মজুরি নিয়ে তাদের কোন আপত্তি আছে কিনা। পরে কমিশনের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।
মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা কাজ করি। গার্মেন্টস সেক্টর আমাদের জন্য একটি গর্বের সেক্টর। কারণ বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি সেক্টর। শ্রমিক ভাই-বোনেরা দিন-রাত পরিশ্রম করে যে পোশাক তৈরি করছে তা বিদেশে যাচ্ছে, বদলে আমরা বৈদেশিক মুদ্রা পাচ্ছি ৷
যারা এ কাজগুলো করছে তারা প্রকৃতপক্ষেই তাদের শ্রমের স্বীকৃতি পাচ্ছে কিনা, তাদের কল্যাণের বিষয়টি দেখা হচ্ছে কিনা, কর্মস্থলে সুযোগ-সুবিধা পর্যাপ্ত আছে কিনা সেটাই আমাদের দেখার বিষয় ছিল।’ তিনি বলেন, ‘কারখানাটিতে শ্রমিকদের সাথে আমার কথা হয়েছে৷ তারা সময়মতো বেতন ও পর্যাপ্ত সুবিধা পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন।
আমরা আশা করি, আমাদের গর্বের গার্মেন্টস সেক্টরে সুন্দর কর্মপরিবেশ বিরাজ করুক, শ্রমিকদের অধিকারগুলো যেন পরিপূর্ণ থাকে।’ এক প্রশ্নের জবাবে কামাল উদ্দিন বলেন, ‘কারখানার পরিবেশ এক না, এর সাথে আমরা একমত। সেটা দেখার জন্য অন্যান্য কারখানাগুলোর কর্মপরিবেশ দেখতে গিয়েছি, ভালো পরিবেশ পেয়েছি।
আমরা আরও যাবো, আমরা শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতে কাজ করবো।’ এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সার্বক্ষণিক সদস্য সেলিম রেজা, শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামান, শিল্প পুলিশ নারায়ণগঞ্জ-৪ এর পুলিশ সুপার শারমিন আক্তার, ইউএইচএম লিমিটেড কারখানার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আশিফুল কবির।


