Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

ভরা মৌসুমে চড়া সবজি-চালের দাম

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৩ জানুয়ারি ২০২৪, ০১:২১ পিএম

ভরা মৌসুমে চড়া সবজি-চালের দাম
Swapno


প্রতি বছর শীতের মৌসুমে সাধারণত শীতকালীন সবজিতে বাজার ভরপুর থাকে। অন্যান্য সময়ের তুলনায় দামও কম থাকে। কিন্তু অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বাজারে দেখা গেলো ভিন্ন চিত্র। দাম কমছে না বরং বাড়ছে। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে সবজির দাম কিছুটা কমার ফলে সাধারণ মানুষের স্বল্প স্বস্তি মিললেও চলতি সপ্তাহে ফের নিত্যপণ্যের দামে নাজেহাল ক্রেতারা।

 

 

বিক্রিতাদের সাথে কথা বলে জানা যায় বেগুনের ও কাচা মরিচের প্রতি কেজি সেঞ্চরী ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে আমনে ভরা মৌসুমে আমদানি ভালো হলেও বাজারে পাইকারি থেকে খুচরা পর্যায়ে চালের দামও  ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, নির্বাচন থাকার ফলে গাড়ি তেমন চলে নি। এছাড়া যাদের থেকে আমরা কিনে আনছি তারাও বেশি টাকায় বিক্রি করছে।

 


সবজির পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা যায়, আলুর দামে কোনো পরিবর্তন নেই। বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই। প্রতি পাল্লা ৩৫০ টাকা। ইন্ডিয়ান পেয়াজের প্রতি পাল্লা বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা দওে এবং দেশি পেয়াজের প্রতি পাল্লা বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা দরে। বেগুনের প্রতি কেজি ১২০ টাকা। মান ভেদে প্রতি কেজি টমেটোর দাম ৭০ থেকে ৯০ টাকা। প্রতিকেজি সিম বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা দরে।

 

 

প্রতি পিস ফুল কপি ও বাধাঁ কপি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা দরে। লাউয়ের ও আকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১০০ টাকা দরে।শুধু মাত্র কমের মধ্যে রয়েছে মুলা,পেঁপে ও শালগম। যা মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা দরে। কাচা মরিচের প্রতি কেজি ১১০ থেকে ১২০ টাকা দরে।  দরদাম করে কিছুটা কমে পাওয়া গেলেও মানের পরিমান স্বল্প। পাইকারি সবজি বিক্রেতারা জানান,অন্যান্য বারের তুলনায় এবার বেশ কয়েক মাস ধরে আলুর দামটা বাড়তি যাচ্ছে।

 

 

কমছেই না। শীতের মৌসুমে বাজারে ভরা সবজি থাকলেও দাম বেড়েই চলেছে। ব্যবসা করছি আজ প্রায় ১৪ থেকে ১৫ বছর । কিন্তু এবারের মতো বাজারের এমন পরিস্থিতি আমি দেখি নাই।    

 


অন্যদিকে মাছ-মাংসের দামও বেশ চড়া। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা দরে। সোনালি মুরগি ৩০০-৩৫০ টাকা দরে। আকার থেকে তেলাপিয়া ও মাঙ্গাস মাছের প্রতি কেজি ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা দরে।  

 


নিতাইগঞ্জ পাইকারি চাল বিক্রেতার সাথে কথা বললে তিনি বলেন, সব ধরনেরই চালে দাম বেড়েছে। নাজিশ্বের চাল ৭৫ টাকা কেজি থেকে এখন ৮০-৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  প্রতি বস্তা ৩ হাজার ৯০০ থেকে ৪ হাজার টাকা। আটাশ চাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে। মিনিকেট ও কাটারি চাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৫ টাকা দরে। মোটা চাল ১০ টাকা বেড়ে ৬০-৬৩ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।  

 


পাড়া-মহল্লার খুচরা বিক্রিতারা বলছেন, যে মিনিকেট আগে বিক্রি করতাম ৭০ টাকা করে কয়েকদিন ধরে সেটা বিক্রি করছি ৭৫ টাকা। আবার কোথাও কোথাও অনেকে ৮০ টাকাও বিক্রি করছে। দাম বাড়ার কারন জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, আমরা পাইকারি দাম বেশি দিয়ে কিনছি।

 

 

পাইকারি মালিকদের কাছে দাম বাড়ার কারন জানতে চাইলে তারা শুধু বলেন সংশ্লিষ্ঠরা বা মিল মালিকদের কাছ থেকে নাকি তাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। এছাড়া তারা আরো বলেন পরিবহন খরচ ও নাকি বেড়ে গেছে।

 


এদিকে চালের দামে পাশাপাশি বেড়েছে আটার দামও। খোলা আটায় প্রতি কেজি বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। ২ কেজির প্রতি প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকা। এ নিয়ে খুচরা বিক্রেতা বলেন, হঠাৎ করেই আটার দাম বেড়ে গেছে। প্যাকেটের গায়ে লিখা দামে থেকে আমি মাত্র ৩-৫ টাকা লাখ রাখি। হঠাৎ করে যদি কাস্টমারকে ১৩৫ টাকা বলি তখন তারাও রেগে যায়। আগের দাম ধরিয়ে দিয়ে চলে যায়। পরিচিত লোক কিছু বলাও যায় না।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন