রমজানের দেড় মাস আগেই নিত্যপণ্যের দাম বাড়তি
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৪, ০৬:৫৭ পিএম
পবিত্র মাহে রমজান আসতে আরোও দু’মাস বাকি। কিন্তু ঐসময়ের চাহিদাসম্পূন্ন নিত্যপণ্য ছোলা, মুড়ি, বেসন, ডাল, খেজুরসহ কয়েকটি পন্যের দাম খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে এখনই বাড়তে শুরু করেছে। বাজার ঘুরে জানা যায়, ছোলার প্রতি কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে এবং মুগ, ছোলা, খেসারি ডাল ও বেসনের প্রতি কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
পাইকারি বিক্রেতারা বলছেন, এসব পন্যের অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার আমদানি খরচ বেশি হওয়ার কারনে হঠাৎ করেই দাম বেড়ে গেছে। অপরদিকে খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, রমজান আসার ২-১ মাস আগে থেকেই খুচরা বিক্রেতারা রমজানেরর এসব নিত্যপণ্য বিক্রির প্রস্ততি নিতে শুরু করে। এখন থেকেই আমদানির খরচ বাড়ার কারনে পাইকারি বিক্রেতারা সব ধরনের পন্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। তাই এই বাড়তি দামটা খুচরা পর্যায়েও প্রভাব পড়েছে।
গতকাল নগরীর পাইকারি দিগুবাবুর বাজার ও নিতাইগঞ্জ বাজারে ঘুরে খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রমজানকে ঘিরে এই মাসে ছোলার দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়ে ১১০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গতমাসেও ছোলার দাম ছিলো ৯৫ থেকে ১০৫ টাকা কেজি। ছোলার ডাল ১০ টাকা বেড়ে কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকা দরে।
খেসারি ডালের প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকা কেজি। যা আগে ছিলো ১১০ টাকা । মাসের ব্যবধানে সব থেকে বেশি দাম বেড়েছে মুগ ডালের। কেজিতে ২৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এ নিয়ে ভূষা ও ডাল মালিক সমিতির সহ-সভাপতি বিকাশ চন্দ্র সাহা বলেন, এখন কোনো ছোট ইনপুট (আমদানি) নাই। সব বড় বড় ইনপুটার। বাজার নিয়ন্ত্রন হচ্ছে তাদের হাতে। বর্তমানে নিতাইগঞ্জে মাত্র ৮ টা মেল আছে। বাড়ার কারণ হলো আমদানির ঘাটতি ও ডলাওে মূল্য বৃদ্ধিও কারনে। এছাড়া সবে বরাতের আগেই আমাদের পাইকারি বাজারে মাল আউট হয়ে যায়।
খুচরা ও পাইকারি বাজারে খেজুরের দাম বেড়েছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত। মানভেদে আজোয়া খেজুর বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি। দাবাস খেজুর প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা দরে। মরিয়ম খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা দরে। খেজুর বিক্রেতা হাফিজ বলেন, খেজুর আনার পরিবহন খরচ সহ আমদানি খরচও অনেক বেড়েছে গেছে একারনে পাইকারি ও খুচরা বাজরে বাড়তি দামে খেজুর বিক্রি হচ্ছে।


