আরেক দফা বাড়লো রমজানের খাদ্যসামগ্রীর দাম
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৭ জানুয়ারি ২০২৪, ০৮:৩৮ পিএম
সপ্তাহের ব্যবধানে আবার বাড়লো রমজানের খাদ্যপণ্যের দাম। পাশাপাশি মসলাজাতীয় পণ্যের দামও বাড়তি। প্রতি কেজি আলুতে ১০ টাকা বেশি খরচ করতে হচ্ছে ক্রেতাদের। সব কিছুর দাম আবারও বেড়ে গেছে গতকাল পাইকারি বাজার ঘুরে ক্রেতা বিক্রেতাদের কাছ থেকে এমন তথ্য জানা যায়। বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা দরে।
আর ইন্ডিয়ার রসুন বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা করে। দেশি আদা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকা করে। প্রতি কেজি দেশি হলুদ বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকা দরে। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ২৮০-২৯০ টাকা দরে। প্রতি কেজি দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে ৪৮০-৫০০ টাকা দরে। এলাচি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৫শো-২৭শো টাকা করে।
বাজার করতে আসা হারুন মিয়া বলেন, গত বছরেও রোজার সময় বাজারে এমন অবস্থা ছিলো। সবকিছুর দাম বাড়তি। এবারও মনে হয় একই অবস্থা হবে। আর বাজারের এই অবস্থা কি শুধু এখন থেকে প্রায় ৫-৬ মাস ধরে সব কিছু বেশি টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে। টিভিতে দেখি ভোক্তা অধিকারের লোকরা বাজারে অভিযান করে। তো তাদের অভিযানের কি হলো কোনো কিছুর দাম তো কমলই না। বরং আরো বাড়ছে। সামান্য শাক তাও নাকি ৭০ টাকা কেজি। ভাবা যায় দেশ এখন কোথায় এসে দাড়িয়েছে।
পাইকারি বিেেক্রতারা বলছেন, গত সপ্তাহেও দাম বেড়েছিলো। কিন্তু এই সপ্তাহের তুলনায় কম ছিলো । এ সপ্তাহ আবার জিনিসের বাড়ছে। আর পাইকারি আড়ত থেকে আমরা বাড়তি দামে কিনছি তাই বিক্রিও করছি বাড়তি দামে। বাজারের যে অবস্থা দেখছি মনে হয় না কমবে। বরং আরো বাড়বে।
ককেজন খুচরা বিক্রিতার সঙ্গে কথা বললে তারা বলেন, গত কয়েকদিন আগেও প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি করেছি ৯৫ থেকে ১০০ টাকা করে কিন্তু এখন তা বিক্রি করছি ১১০ থেকে ১২০ টাকা দরে। মুগ ডাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা দরে। যা আগে ছিলো ১৭০ টাকা।
প্রতি কেজি দেশি পেয়াজের দাম ৯৫-১০০ টাকা করে। যা গত সপ্তাহেও ৮০-৮৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি লিটার পাম তেল বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ টাকা দরে যা আগে ছিলো ১৩০-১৩৫ টাকা। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ১৫২ টাকা করে যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ১৪৫ টাকা দরে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামান যুগের চিন্তাকে বলেন, অভিযান চলমান আছে। আমরা প্রাণপনে চেষ্টা করছি বাজার নিয়ন্ত্রন রাখার জন্য।


