মাস না যেতেই দাম বাড়ল গরুর মাংসের
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৭ জানুয়ারি ২০২৪, ০৮:৩৮ পিএম
নির্বাচনের পর পরই নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্যের সাথে তাল মিলিয়ে আবারো বাড়তে শুরু করেছে মাংসের দাম। এখন সব কিছুই যেন বর্তমানে সাধারণ মানুষের ধরাছোয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে। আলু পিয়াজের সঙ্গে ফের হুড়মুড় করে দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে গরুর মাংসের। এক মাসের ব্যবধানে হঠাৎ এই গরুর মাংসের দামে বাড়ার কারনে ক্ষুদ্ধ নিম্ন আয়ের মানুষ সহ মধ্যবিত্তরাও। সরকারের বেধেঁ দেওয়া দাম ৬৫০ টাকা কেজিতে এখন ১০০ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সপ্তাহখানেক আগে যেখানে গরুর মাংসের দাম কেজিতে ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায় বিক্রি হতো তা এখন বেড়ে গিয়ে আগের দামে বিক্রি করা হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায়। গরুর মাংস নানা অজুহাত দেখিয়ে বাড়তি দামেই বিক্রি করে যা”েছন বিক্রেতারা। অনেক বিক্রেতারাই বলছেন, সব কিছুর সাথে তাল মিলিয়ে না চললে আমরা চলবো কিভাবে। আবার কেউ বলছেন, সবাই যদি দাম বাড়ায় তাইলে তো আমরাও বাড়াবো কম দামে কেন বিক্রি করবো।
বাজারে মাংস কিনতে আসা ক্রেতা তাহের মাংসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, কিছুদিন আগেও শুনেছি গরুর মাংসের কেজি ৬৫০ টাকা আর এখন হঠাৎ আইসা দেখি ৭৫০ টাকা । কয়েকদিন পর পরই নাকি বাজারে মনিটরিং হয় তাইলে নিত্যপন্যের দাম এতো বাড়ে কেমনে? সরকার যদি বাজার নিয়ন্ত্রন নাই করতে পারে তাইলে আমাগো মতো সাধারণ মানুষ চলমু কিভাবে। সামনে আবার রমজান মাস আসতাছে, জানি না জিনিসপত্রের দামের আবার কি পরিবর্তন হয়।
হুট করে এই দাম বাড়ার কারন জানতে চাইলে মাংস বিক্রেতা আজিম জানান, একটি গরু কিনার দামের উপর নির্ধারন করে মাংসের দাম বাড়াতে হয়। এখন যদি আগের দামে বিক্রি করতে যাই তাহলে আমাদেরই লস। আর রমজান মাসে হয়তো মাংসের দাম আরো বাড়তে পারে।
বাজারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কসাই বিক্রেতা বলেন, নির্বাচনের আগে থেকেই এই দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ে ভোগান্তি চলছে, এটা আর তেমন নতুন কি। বাজার এখন যেভাবে চলছে আমাদেরও তো সেভাবে চলতে হবে তাইনা, সবার সঙ্গে মিলিয়ে না চললে আমাদেরই হিমশিম খেতে হবে। নির্বাচনের আগে আমাদের চাপ দেওয়া হয়েছিল মাংস কম দামে বিক্রি করতে তাই তখন লস হলেও বিক্রি করতে হয়েছে । কিন্তু এখন আর সম্ভব না আমাদেরও তো পরিবার আছে।


