আজমেরীর পর সেলিম ওসমানে কুপোকাত শাহ নিজাম
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩০ জানুয়ারি ২০২৪, ০৮:৫২ পিএম
# আজকের মধ্যে জুয়া বন্ধ চাই, না হলে সকল কিছু উচ্ছেদ করবো, যদি কোন বাপের বেটা থাকে তাহলে আটকাবে
# নম পার্কের জুয়া ভাতিজা আজমীর ওসমান বন্ধ করার জন্য চেষ্টা করেছে, আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই
ভাই-ভাতিজার কাছে শেষ পর্যন্ত পিছু হটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শামীম ওসমান। কেননা নাসিম ওসমান মেমোরিয়াল অ্যামিউজমেন্ট পার্কে (নম পার্ক) টিকেট কাউন্টার বসিয়ে জুয়ার আসরসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে লাকি কুপন বিক্রি হচ্ছে এবং অশ্লীল কর্মকাণ্ডের ঘটনায় আজমেরী ওসমানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান। তিনি অবিলম্বে নমপার্কের অশ্লীল কমকাণ্ড বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
অথচ ২৫ জানুয়ারি নম পার্কে গিয়ে সাংসদ শামীম ওসমানের অনুসারী পার্কের তত্ত্বাবধায়ক মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহনিজামকে তা বন্ধ করার কথা বলে আসার ঘন্টাখানের মধ্যেই এমপির ফোনে আজমেরী ওসমানের ৬ সমর্থককে শহর ও শহরতলির বিভিন্ন জায়গা থেকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তারা আদালত থেকে জামিন নেন। অথচ ঘটনার দিনই ভাতিজা আজমেরী ওসমানের পক্ষে অবস্থান নিতে পারতেন শামীম ওসমান।
কিন্তু শামীম ওসমান না পারলেও আজমেরী ওসমানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সেলিম ওসমান নমপার্কের কুকর্ম বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন। নম পার্ক নিয়ে গতকয়েকদিনের সমালোচনার মধ্যেই গতকাল বিকেএমইএ ভবনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় সেলিম ওসমান বলেন, যদি আজকের (২৯ জানুয়ারি) মধ্যে জুয়া বন্ধ না করা হয় তাহলে আগামীকাল আমি সংসদ শেষ করে, সেলিম ওসমানের নেতৃত্বে আমি পার্কসহ সকল কিছু উচ্ছেদ করবো। যদি কোন বাপের বেটা থাকে তাহলে আটকাবে।
চিলড্রেন পার্ক হিসাবে সেটাকে পার্ক বানানো হয়েছে, তার সাথে একটি রেস্টুরেন্ট বানানো হয়েছে। সেখানে জুয়া চলবে, সেটা তো হতে পারে না। আজকে রাতে যেন কোন জুয়া না চলে, আমি আইনশৃংখলা বাহিনীর কাছে অনুরোধ করাবো আপনারা সেটা বন্ধ করুন। সেলিম ওসমান আরো বলেন, তিনি যত বড় নেতা হননা কেনো সেই এ কাজটা করতে পারবেনা। নাসিম ওসমানের নামে করা নম পার্ক, দরকার হলে চুরি করবো;ডাকাতি করবো; মাইক বাজিয়ে লটারি করবো নারায়ণগঞ্জে।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের চার বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য নাসিম ওসমান, তার নামে পার্কে কে বলেছে এখানে জুয়া বসাতে? আমি চাই আজকের থেকে জুয়ার বোর্ড যাতে বন্ধ হয়। কারণ এখানে তো টিকেট এর মাধ্যমে তারা প্রবেশ করে, আমি আজকে সকালে সেখান গিয়ে ছিলাম, সেখানে গিয়ে দেখি কেউ নাই। আমার আগে নম পার্কের জুয়া নাসিম ওসমানের সন্তান আজমীর ওসমান বন্ধ করার জন্য চেষ্টা করেছে, আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই।
সেলিম ওসমান আরো বলেন, ‘যদি সেখানে বন্ধ না করা হয় এখানে হেলাল আছে, সাজনু আছে এখানে জাতীয় পার্টি আছে আওয়ামীলীগ আছে, বিএনপি আছে আগামীকাল সন্ধ্যায় সেলিম ওসমানের নেতৃত্বে ওই পার্ক নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে। আমরা কথা না কাজে বিশ্বাসী, বন্ধ করতে হবে, সবাই বলেছি বন্ধ করতেই হবে। এর আগেও একটি মদের পার্ক বানানোর চিন্তা ভাবনা করেছিলো, আমি বললাম ওখানে বার করতে পারবেনা যদি কেউ তাহলে সরকার থেকে পারমিশন নিয়ে আসো তার পরেও সেটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’
এদিকে সোমবার বিকালে নম পার্ক নিয়ে সেলিম ওসমানের বক্তব্যের পরপরেই সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও এমপি শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ও নাসিম মেমোরিয়াল অ্যামিউজমেন্ট পার্কে (নম পার্ক) এর তত্বাবধায়ক শাহ নিজাম তার ফেসবুক আইডিতে একটি পোষ্টে বলেন, ‘সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে,, ইদানিং নম্ পার্ক নিয়ে কিছু বিভ্রান্তিমুলক তথ্য আমাকে কিছু জিজ্ঞেস না করেই প্রচার করা হচ্ছে। বিগত ৯ বছর যাবৎ এই পার্কটি চলছে।
এ পর্যন্ত এমন কোন কাজ করা হয়নি যা পার্কের নামকরণের বিন্দুমাত্র সম্মানহানিকর। শুরু থেকেই এই পার্ক লোকসানে আছে। কিন্তু অনেক কষ্ট হলেও পার্কটি বন্ধ করিনি। গত কিছু দিন আগে আমি যখন নারায়ণগঞ্জের একটি সামাজিক সংগঠনের প্রোগ্রাম নিয়ে ব্যাস্ত ছিলাম তখন আমার পার্কের কর্তৃপক্ষের লোকের সাথে একটি ইভেন্টের সাথে চুক্তি হয় মেলা করার, যাতে পরিষ্কারভাবে লিখা আছে, এখানে কোন জুয়া, অশ্লীল ও অসামাজিক কাজ করা যাবে না।
ব্যস্ততার কারণে আমি পরিপূর্ণ খেয়াল রাখতে পারিনি, যার সুযোগে কিছু লোক আমার বক্তব্য ছাড়াই নিজেদের ইচ্ছে মতো সংবাদ পরিবেশন করেছেন, যা আমি মনে করি এটা সাংবাদিকতার নিয়মের বাইরে। আমি যখন ভালোভাবে জানতে পারলাম তখনি পার্ক কর্তৃপক্ষকে এই মেলা বন্ধের নির্দেশ প্রদান করি। আমার রাজনীতির দীর্ঘ ৩৮/৩৯ বছর বয়সে নারায়ণগঞ্জে এমন কোন কাজ নিজ স্বার্থে করিনি, যাতে মানুষ খারাপ বলবে।
আমি আমার নিজের স্বার্থের প্রয়োজনে, এমন কোন কাজ করিনি যে কাজের জন্য আমার নেতা শামীম ওসমানের সম্মান ক্ষুন্ন হবে। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট চুক্তির বাইরে কাজ করার কারণে চুক্তি পত্র বাতিল করে মেলা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আমি রাজনীতি করি আদর্শের, কোন ধান্দার রাজনীতি করি না, এটাই আমার সাহস এটাই আমার সততা।’
প্রসঙ্গত, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে অবস্থিত নাসিম ওসমান মেমোরিয়াল অ্যামিউজমেন্ট পার্কে (নম পার্ক) টিকেট কাউন্টার বসিয়ে জুয়ার আসরসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে লাকি কুপন বিক্রি হচ্ছে এবং অশ্লীল কর্মকাণ্ড হচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে আজমেরী ওসমান নিজেই ২৫ জানুয়ারি ওই পার্কে গিয়ে সাংসদ শামীম ওসমানের অনুসারী পার্কের তত্ত্বাবধায়ক মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহনিজামকে তা বন্ধ করার জন্য বলেন।
আজমেরী ওসমানের নম পার্কে হুট করে হানা দেওয়ায় হতচকিত হয়ে পড়েন পার্কে উপস্থিত আওয়ামী লীগ নেতাসহ কর্তাব্যক্তিরা। আজমেরী ওসমান সেখান থেকে বেরিয়ে আসার পরে শামীম ওসমানকে জানালে এমপির ফোনে আজমেরী ওসমানের কয়েকঅনুসারীকে ৫৭ ধারায় গ্রেফতার করে পুলিশ। এরই মধ্যে শনিবার মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সমাবেশ করেছেন শামীম ওসমান। কিন্তু ভাতিজা আজমেরী ওসমান যে আপত্তি তুলেছেন তাতে কর্ণপাত করেননি শামীম ওসমান এমনকি মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজামও।
আজমেরী ওসমানকে এক প্রকার বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ফের শুরু হয়েছে নম পার্কের যাবতীয় আয়োজন। পাড়া মহল্লায় চলছে মাইকিং। প্রতিরাতে বসে সেই জুয়ার আসর ও মাদক সেবীদের আড্ডা। সমাগম অব্যাহত আছে নারায়ণগঞ্জর বিভিন্ন স্থান থেকে শত শত টিকেট কাটা গ্রহকরা। নাসিম ওসমানের পুত্র আজমীর ওসমানের আপত্তি কর্নপাতই করেনি শাহ নিজাম। তবে অতীতে মৌখিক বিরোধ থাকলেও এভাবে প্রকাশ্য বিরোধ ও পক্ষ নিতে আগে দেখা যায়নি। স্পষ্টই বোঝা যায় শামীম ওসমানের সমর্থন আছে শাহ নিজামের পক্ষে।
অন্যদিকে আজমেরী ওসমানের আপত্তি থাকলেও উল্টো তার অনুসার অনুসারীরা গ্রেপ্তার হয়েছেন। তবে ক্ষুব্ধ আজমেরী ওসমান এরপর কি পদক্ষেপ নিবেন নাকি নীরব থাকবেন সেটাই এখন দেখার বিষয়।
সূত্র জানায়, গ্রামীণ বা চরাঞ্চলে দেখা মিলে ‘লাকি কুপন বা লটারি’ বিক্রির কার্যক্রম। নানা প্রলোভনে এইসব লাকি কুপন বিক্রির ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হতে দেখা যায় দিনমজুর, রিকশাচালকদের মতো নিম্নআয়ের মানুষদের। গত বেশ কয়েকদিন ধরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নাসিম ওসমান মেমোরিয়াল পার্কেও চলছে একই কার্যক্রম।
অভিযোগ রয়েছে, পার্কটির পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজামের তত্ত্বাবধানেই চলছে এই লটারি বা লাকি কুপন বিক্রি। যদিও এই বিষয়ে অবগত নয় বলে দাবি স্থানীয় প্রশাসনের।
স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন পার্কটির আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশায় ঘুরে ঘুরে মাইকিং করে ‘লাকি কুপন’ বিক্রি করা হয়। এইসব কুপন বিক্রির সময় ‘গাড়ি, অটোরিকশা, মোটরসাইকেল, টিভি’ জেতার প্রলোভন দেখানো হয়। আর এই প্রলোভনের ফাঁদে পা দিয়ে সর্বস্ব হারাচ্ছেন খেটে খাওয়া নিম্নআয়ের মানুষজন। প্রতি কুপনের মূল্য ২০ টাকা। অনেকে আকর্ষনীয় পণ্য পাওয়ার আশায় একাধিক কুপনও কিনছেন। দিনশেষে রাতের বেলা ‘র্যাফেল ড্র’ এর মধ্য দিয়ে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। বিজয়ীদের নাম ঘোষণায় ‘দেশ জনতা টিভি’ ও ‘ক্যাবল চ্যানেল’ ব্যবহার করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘লাকি কুপন’ বিক্রির নামে প্রতারণার ফাঁদ তৈরি করা হয়েছে। এদের প্রধান টার্গেট রিকাশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষজন। অনেকেই তাদের দৈনিক উপার্জন করা টাকা দিয়ে পরিবারের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, ডাল, তেল না কিনে ‘ভাগ্য পরীক্ষায়’ কিনছেন ‘লাকি কুপন’। কিন্তু দিনশেষে অধিকাংশ ব্যক্তি প্রতারিত হচ্ছেন এবং খোয়াচ্ছেন তাঁর দৈনিক উপার্জন।
‘লাকি কুপন’ কেনা একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা হলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন, ‘র্যাফেল ড্র’তে বিজয়ী কুপনের সাথে কেনা কূপনের নম্বর মিললেই তবে পাওয়া যাবে মোটরসাইকেল, টিভি, ফ্রিজের মতো দামি পণ্য। তারা দামি পণ্য লাভের আশায় প্রতিদিনই কুপন কিনছেন। কেউ কেউ দৈনিক ১০-১২টা করেও কুপন কিনছেন। দেখা যায় এতে দৈনিক উপার্জনের টাকা নিয়ে আর বাড়ি ফেরা হয়। পরে চাল, ডাল কিনতে টাকা ধার করতে হয়। এবিষয়টি নজরে এলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেদারুল ইসলাম ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মৌসুমী বাইন হীরা ব্যবস্থা নেয়া আশ্বাস দেন।
সূত্র জানায়, নাসিম ওসমানের নামে করা নম পার্কে অনৈতিক কর্মকান্ড টিকেট বিক্রির মাধ্যমে চালু করা হয়েছে জানতে পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় নিজ গাড়িতে করে পার্কের বাইরে অবস্থান নেন আজমেরী ওসমান। তিনি আয়োজকদের বলেন, ‘এ পার্ক আমার বাবার (প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান) নামে করা। তিনি একজন প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা। চারবারের এমপি ছিলেন। তাঁর মত এমন ব্যক্তির নামের পার্কে এ ধরণের জুয়ার আসর লটারীর কাজ করাটা ঠিক হচ্ছে না।
আমি আজকে বলে দিয়ে গেলাম। এরপরেও এ ধরণের কাজ হলে আমি ব্যবস্থা নিব। এই ঘটনার মাধ্যমে নম পার্কে হিন্দি গানের তালে তালে গভীর রাত পর্যন্ত অসামাজিক নৃত্য পরিবেশন, জুয়ার আড্ডাসহ বেশ কয়েকটি ক্যাটাগারিতে লাকি কুপনের টিকেট বিক্রির মতো বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে মাদককারবারীদের আড্ডাও বসে এমন খবরও চাউর হয়েছে।
প্রয়াত জনপ্রিয় সংসদ সদস্য নাসিম ওসমানের নামে গড়ে তোলা পার্কটিতে তার দুই ভাই সেলিম ওসমান ও শামীম ওসমান এমপি থাকাবস্থায় এমন কর্মকাণ্ড ঘটতে পারে তা কেউ ক্ষুনাক্ষরে চিন্তাও করতে পারতো না। তবে আজমেরী ওসমান যেভাবে নিজেই পার্কে গিয়ে এসবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে এসেছেন তাতে তিনি শহরবাসীর বাহবা ও প্রশংসা পেয়েছেন। তবে আজমেরী ওসমানের এই প্রতিবাদের পর কেনই বা তার কর্মীদের ধরতে সারারাত ধরে পুলিশের অভিযান পরিচালনা করা হল, কার ফোনেই বা প্রশাসন এতোটা তৎপরতা দেখালো তা নিয়ে নানা ধুম্রজাল এবং মুখরোচক আলোচনা তৈরি হয়েছে শহর জুড়ে।
অনেকে বলছেন, সত্য প্রকাশিত হয়ে যাওয়ার পর আজমেরী ওসমানের প্রতিবাদের বিষয়টি ঢাকতে এবং তার নব উত্থানকে কোনঠাসা করতেই তাকে চাপে রাখার কৌশল হিসেবে এমনটি করা হয়ে থাকতে পারে। তারা বলছেন, প্রয়াত নাসিম ওসমান যেভাবে শহর-বন্দরের মানুষের মন জয় করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন তেমনি যদি পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আজমেরী ওসমানও আগামীতে রাজনীতির উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে পারবেন। এস.এ/জেসি


