Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

‘তিন জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কঠোরতার কোনো বিকল্প নেই’

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৭:১১ পিএম

‘তিন জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কঠোরতার কোনো বিকল্প নেই’
Swapno

 

# নগরবাসী সেলিম ওসমান এমপিকে আরো কঠোর ভূমিকায় দেখতে চান
# প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা অব্যাহত রাখার কোনো বিকল্প নেই

 

 

নারায়ণগঞ্জের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের কল্যানের জন্য নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডাক্তার সেলিনা হায়াৎ আইভী ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি একেএম শামীম ওসমানের মাঝে যে ঐক্যের বন্ধন সৃষ্টি হয়েছে তাতে আশ্বস্ত্য হয়েছে এই জনপদের জনগণ। কারণ বিগত দিনগুলিতে আইভী আর সেলিম ওসমানের মাঝে এক ধরনের সহনশীলতা দেখা গেলেও এক যুগ ধরে বিরোধ জড়িয়ে ছিলেন আইভী ও শামীম ওসমান।

 

তবে গত ৩ ফেব্রুয়ারী নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের আয়োজনে এক গোলটেবিল বৈঠকের মাধ্যমে মেয়র আইভী ও সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের মাঝে ঐক্য হয়। ওই গোলটেবিল বৈঠক শেষে আইভী, শামীম ওসমান ও সেলিম ওসমান তিনজনই হাতে হাত রেখে নারায়ণগঞ্জবাসীর স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার করেন। আর এই ঐক্যের কারণে খুবই খুশী হন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি একেএম সেলিম ওসমান। কারণ তিনি আইভী ও শামীম ওসমান উভয়েরই বড়। আর সবচেয়ে বেশি খুশী হন নারায়ণগঞ্জ শহরের সর্ব স্থরের জনসাধারণ।

 

ফলে এই ঐক্যের পর থেকে সেলিম ওসমান এমপি বেশ সচেষ্ট রয়েছেন আর কখনোই যাতে আইভী ও শামীম ওসমানের মাঝে বিরোধ সৃষ্টি না হয় বলে জানা গেছে। কারণ সেলিম ওসমান চান যেকোনো মুল্যে আগামী দিনগুলিতে যেনো তারা তিনজন মিলে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করতে পারেন। এছাড়া দুইজনেরই বড় ভাই হিসাবে সেলিম ওসমানের দায়িত্ব বেশি বলে মনে করেন সাধারণ মানুষের অনেকে। আর সাধারণ মানুষ এটাও মনে করেন শেষ পর্যন্ত যদি মেয়র আইভী ও দুই এমপি জনগনের পক্ষে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করে যান তাহলে এই শহরে শেষ পর্যন্ত কোনো সমস্যাই থাকবে না।

 

এদিকে গত ৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে গোলটেবিল বৈঠকের পর পরের দিন থেকেই নারায়ণগঞ্জ শহরকে যানজট মুক্ত করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেয় প্রশাসন। নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপার সেই গোল টেবিল বৈঠকেই ঘোষনা দিয়ে যান তারা নারায়ণগঞ্জ শহরকে যানজট মুক্ত করবেন। পরের দিন থেকে শুরু হয় এ্যাকশান। হকার মুক্ত করা হয় নারায়ণগঞ্জ শহরের ফুটপাত। সিএনজি ও লেগুনা স্ট্যান্ডগুলি সহ বিভিন্ন স্পটে গড়ে উঠা স্ট্যান্ডগুলির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হয়।

 

চরম বিশৃঙ্খল বাসগুলিকে শৃঙ্খলায় ফিরানোর চেষ্টা করা হয়। আর এই ক্ষেত্রে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাই নারায়ণগঞ্জবাসী মনে করেন প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা অব্যাহত রাখার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু এই শহরে বহিরাগত ও অবৈধ হকাররা মামা বাড়ির আবদার নিয়ে প্রথমে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমানের কাছে যান। কিন্তু শামীম ওসমান এবার আর তাদেরকে পাত্তা দেননি।

 

পরে জনপ্রিয়তাশুন্য কয়েকজন বামপন্থী নেতার নেতৃত্বে হকাররা নতুন করে মাঠে নেমে মামা বাড়ির আবদার করতেই থাকেন। আর প্রশাসনও রহস্যজনক কারণে ঢিলেঢালা হতে থাকে। শহরে এই মুহুর্তে চলছে নানা গুঞ্জন। তবে অনেকে মনে করেন মেয়র আর দুই এমপি যদি আন্তরিক হন তাহলে অন্তঃসারশুন্য বামপন্থীদের এই অন্যায্য অন্দোলন কোনো কাজে আসবে না। কারণ এই আন্দোলনের পেছনে নূন্যতম কোনো জনসমর্থন নেই। এতোদিন ওরা টিকে ছিলো কেবল মাত্র সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের সমর্থন থাকার কারণে।

 

আর এটা এখন তারা নিজেরাই ঢাকঢোল পিটিয়ে বলছে যে শামীম ওসমান তার সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তবে এবার যেহেতু শামীম ওসমান এই বহিরাগত হকারদের অন্যায় আবদারকে প্রশ্রয় না দিয়ে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন তাই শেষ পর্যন্ত প্রশাসন তাদের দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করলে এই অবৈধ দখলদাররা টিকবে না বলেই মনে করেন নারায়ণগঞ্জের সকল মানুষ। আর এই ক্ষেত্রে নারায়ণগঞ্জ সদরের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমানকে আরো কঠোর ভূমিকা নিতে হবে বলে সকলেই মনে করেন। এস.এ/জেসি 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন