Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

দুবাই গিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের খোঁজ করছেন শামীম ওসমান

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৪, ০৯:৩৬ পিএম

দুবাই গিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের খোঁজ করছেন শামীম ওসমান
Swapno

 

# নারায়ণগঞ্জবাসীকে কথা দিয়ে কথা রাখলো না শামীম ওসমান

 

নারায়ণগঞ্জ এক আলোচিত নাম। যে নাম শুনলে অন্য সকল জেলার মানুষ খুব সহজে চিনতে পারে। খেলা হবে ডায়লগ দেওয়া এমপি শামীম ওসমানের জেলা এটা। কিন্তু সেই জেলার প্রতিটি পাড়া মহল্লায় হাত বাড়ালেই মিলছে মুড়ির মত করে মাদক। তবে নারায়ণগগঞ্জ (৪ ও ৫) আসনটি এক মাস সময় নিয়ে মাদক মুক্ত করার ঘোষণা দেন শামীম ওসমান।

 

গত ১৭ জানুয়ারী নাসিম ওসমান মেমোরিয়াল পার্কে নির্বাচনোত্তর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জবাসীর সামনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি আমার জম্মদিন তার মধ্যে নারায়ণগঞ্জের মাদক নির্মূল করা হবে আর না হলে ২৯ ফেব্রুয়ারি থেকে মাদক ব্যবসায়ীদের গলায় আমি পাড়া দিবো।’

 

কিন্তু নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান তার দেওয়া কথা না রেখে তিনি গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সহপরিবারে প্রবিত্র মক্কায় ওমরা করার জন্য দেশ ত্যাগ করেন। এবং মক্কা থেকে ওমরা শেষ করে দুবাই গিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পরিবার নিয়ে নানা আয়োজনের মাধ্যমে তার জম্মদিন পালন করেন। তবে শামীম ওসমানের দেওয়া কথা না রেখে এমনটা করায় অনেকটা আলোচনা ও সমালোচনা জম্ম দিয়েছে নারায়ণগঞ্জবাসীর মাঝে।

 

শামীম ওসমান আরো বলেছিলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের ‘গলায় পাড়া’ দেবেন বলে হুংকার দিয়েছেন আলোচিত সাংসদ ও প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওসমান। তিনি মাদক ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘মাদক ব্যবসায়ী আমার মামু, শালা, দুলাভাই হলেও ছাড়ব না। আমাকে আগের রূপে নিয়েন না।

 

কারো পরিচিত কেউ মাদক ব্যবসা করলে তাকে ছেড়ে দিতে বলুন, নইলে নারায়ণগঞ্জ থেকে বাড়িঘর বিক্রি করিয়ে ছাড়ব। এবার আমি মাদক ব্যবসায়ীদের গলায় পাড়া দেব। আর উকিলেরা প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের মামলা নিয়েন না। আর মাদক ব্যবসায়ীদের যে জামিন দেবেন, তাকেও নারায়ণগঞ্জে থাকতে দেব না।

 

তবে নারায়ণগঞ্জ চার আসনে এমপি শামীম ওসমানে নারায়য়ণগঞ্জবাসীর কাছে একমাস সময় নিয়েও মাদক এর ছিটাফোটাও নির্মূল করতে পারেনি। যার কারণে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনের এমপি সেলিম ওসমান ও নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের এমপি শামীম ওসমান এ দুইট আসন মাদক মুক্ত করার বদলে কাঁচা বাজারের মত এক প্রকার ফেরি করে মাদক বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা। আর তাদের শেল্টার দিয়ে নিজের পকেট ভাড়ি করেছে রাজনৈতিক নেতারা ও নামধারী কিছু বড় ভাইয়েরা। যারা পর্দার অন্তরালে সব সময় থেকে যায়।

 

নোম পার্কে শামীম ওসমানের সেই মিটিংয়ের পরেই নারায়ণগঞ্জবাসীর মধ্যে ঢাক ঢোল বাজিয়ে ওসমানে স্টোডিয়ামে প্রত্যাশা নামে একটি সংগঠনের সূচনা করেন যার কাজ সমাজের সকল খারাপ কাছে বাধা প্রদান করা তার মধ্যে মাদক, কিশোরগ্যাং, চাঁদাবাজি, ভুমিদস্যুদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো কিন্তু সেদিনের পরে আর আলোর মুখ দেখতে পাননি শামীম ওসমানের প্রত্যাশা।

 

সূত্র মতে জানা যায়, ২০১৫ নারায়ণগঞ্জে মাদকের সাথে জড়িত রাজনৈতিক নেতা ও ২২ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি তালিকা জমা দিয়েছিল বিশেষ এক গোয়েন্দা সংস্থা। যা সেই সময় জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক প্রত্রিকা গুলোতে গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত হয়েছিল। সেই তালিকায় রাজনৈতিক যে সকল ব্যক্তিদের নাম রয়েছে তারা প্রায় সকলেই শামীম ওসমানের অনুসারী ছিলেন।

 

অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, পাগলার মেরি এন্ডারসন ও নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের ভিতর থেকে বিভিন্ন ভাবে শহর ও শহরতলীতে মদ ও বিয়ার ছড়িয়ে পড়ছে। আর এই দুই প্রতিষ্ঠানে বিশেষ এক ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন