বেইলি রোডের আগুনে মৃতদের মধ্যে যাদের পরিচয় জানা গেল
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৪, ০২:২৬ পিএম
রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃতদের পরিচয় শনাক্তের পর স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। ৪৫ মরদেহের মধ্যে পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে ৪০ জনের, এরমধ্যে ৩৯ জনের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
যাদের শনাক্ত করা হয়েছে তারা হলেন
১) ফৌজিয়া আফরিন রিয়া (২২), বাবা কুরবান আলী; ঢাকার কাকরাইল।
২) পপি রায় (৩৬), বাবা প্রলেনাথ রায়, মা বাসনা রানী রায়; ২১৬ মালিবাগ শান্তিবাগ ঢাকা; সুত্রাপুর দয়াগঞ্জ।
৩) সম্পনা পোদ্দার (১১), বাবা শিপন পোদ্দার, মা পপি রায়; বাসা সুত্রাপুরের দয়াগঞ্জ।
৪) আশরাফুল ইসলাম আসিফ (২৫), বাবা মৃত জহিরুল ইসলাম; খিলগাঁওয়ের উত্তর গোড়ান, গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায়।
৫) নাজিয়া আক্তার (৩১), বাবা মোহাম্মদ আলী, মা নাজনীন আক্তার বেবি; ১৪ আরামবাগ, ঢাকা।
৬) আরহাম মোস্তফা আহামেদ (৬), বাবা আশিক, মা নাজিয়া আক্তার; ১৪ আরামবাগ ঢাকা।
৭) নুরুল ইসলাম (৩২), বাবা মুসলেম; বংশাল, বেচারাম দৌড়ি।
(৮) সম্পা সাহা (৪৬), বাবা জয়ন্ত কুমার পোদ্দার, কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার নবিপুর।
৯) শান্ত হোসেন (২৪), বাবা আমজাদ হোসেন; নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা।
১০) মায়শা কবির মাহি (২১), বাবা কবির খান; মতিঝিল এজিপি কলোনি।
১১) মেহেরা কবির দোলা (২৯), বাবা কবির খান; মতিঝিল এজিপি কলোনি।
১২) জান্নাতি তাজরিন নিকিতা (২৩), বাবা গোলাম মহিউদ্দিন; আর্কিট হাউস, কাকরাইল, শান্তিনগর কাকরাইল। ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
১৩) লুৎফুর নাহার করিম (৫০), মা জহুরা ইসলাম, রমনার সার্কিট হাউস। ভিকারুন্নেসার নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষিকা।
১৪) মোহাম্মদ জিহাদ (২২), বাবা জাকির হোসেন; মাদারীপুর কালকিনি পূর্বচর আলিমবাগ।
১৫) কামরুল হাসান (২০), বাবা কবির হাসান; যশোর সদর উপজেলার মধ্যপাড়া।
১৬) দিদারুল হক (২৩), বাবা মাইনুল হক, ভোলা সদর, উত্তরপাড়া।
১৭) অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান শামীম (৬৫), বাবা ফজলুল রহমান; মৌলভীবাজার, কুলাউড়া। তিনি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন নেতা।
১৮) মেহেদী হাসান (২৭), বাবা মোয়াজ্জেম মিয়া; টাঙ্গাইলের মির্জাপুর।
১৯) নুসরাত জাহান শিমু (১৯), বাবা আব্দুল কুদ্দুস; কুমিল্লা সদর হাতিগাড়া।
একই পরিবারের যে পাঁচজনের মৃত্যু
(২০) সৈয়দা ফাতেমা তুজ জোহরা (১৬), বাবা সৈয়দ মোবারক কাউসার; ৩৭৭ মগবাজার মধুবাগ ঢাকা। গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার শাহবাজপুর।
(২১) সৈয়দ আব্দুল্লাহ (৮); ভাই সৈয়দ মোবারক কাউসার
(২২) সপ্না আক্তার (৪০), নিহত সৈয়দ আব্দুল্লাহর মা
(২৩) সৈয়দ মোবারক কাউসার (৪৮), বাবা সৈয়দ আবুল কাশেম, ইতালি প্রবাসী ছিলেন।
(২৪) সৈয়দা আমেনা আক্তার নুর (১৩)
২৫) জারিন তাসনিম প্রিয়তি (২০), বাবা আওলাদ হোসেন; মুন্সিগঞ্জ সদর বিনোদপুরের বাসিন্দা।
২৫) জুলেল গাজী (৩০), বাবা ইসমাইল গাজী; গুলশান মডেল টাউন, বাড্ডা।
২৬) প্রিয়াংকা রায় (১৮), বাবা উত্তম কুমার রায়, মা রুবিয়া রায়; ১৩৪, মালিবাগ প্রথম লেন, শাজাহানপুর ঢাকা।
২৭) রুবি রায় (৪৮), স্বামী উত্তম কুমার রায়; ; ১৩৪, মালিবাগ প্রথম লেন, শাজাহানপুর ঢাকা।
২৮) তুষার হাওলাদার (২৩), সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে পাস করে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তার বাবা দিনেষ চন্দ্র হাওলাদার; গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার তালগাছিয়া। থাকতেন খিলগাঁও গোড়ানে।
২৯) কে এম মিনহাজ উদ্দিন (২৫), বাবা ওয়ালিউল্লাহ খান, চাদপুর সদর উপজেলার ইসলামপুর গ্রাম।
৩০) সাগর (২৪) সিকিউরিটি গার্ড, বাবা তালেব পরামানিক, পাবনার ফরিদপুর।
বার্ন ইন্সটিটিউটে মৃত ১০ জন হলেন
৩১) তানজিলা নওরিন (৩৫), বাবা নুরুল আলম; পিরোজপুর সদর।
৩২) শিপন (২১), বাবা ফজর আলী; শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার কালারচর
৩৩) আলিসা (১৩) বাবা ফোরকান; কালারচর, রমনা ১০৪, কাকরাইল।
৩৪) নাহিয়ান আমিন (১৯), বাবা রিয়াজুল আমিন; বরিশাল সদর কাউনিয়া। বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্সের ছাত্র।
৩৫) সংকল্প সান (৮), বাবা শিপন পোদ্দার, যাত্রবাড়ি ২৬/সি দয়াগঞ্জ জেলেপাড়া।
৩৬) লামিশা ইসলাম (২০), বাবা নাসিরুল ইসলাম, রমনা, মালিবাগ। এডিশনাল ডিআইজির মেয়ে।
৩৭) মো. নাঈম (১৮), বাবা মো. নান্টু; বরগুনা।
৩৮) অভিশ্রুতি শাস্ত্রী (২৫), দ্য রিপোর্ট ডটকমের রিপোর্টার ছিলেন।
জানা গেছে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঁচটি ও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে একজনের মরদেহ রাখা হয়েছে।
চিকিৎসাধীন যারা
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে ভর্তি আছেন ১২ জন। এর মধ্যে ১০ জন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।
তারা হচ্ছেন- ফয়সাল আহমেদ (৩৮), সুজন মন্ডল (২৪), প্রহিত (২৫), আবিনা (২৩), রাকিব হাসান (২৮), কাজি নাওশাদ হাসান আনান (২০), আজাদ আবরার (২৪), মেহেদী হাসান (৩৫), রাকিব (২৫) ও সুমাইয়া (৩১)। আর ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি আছেন ২ জন। তারা হচ্ছেন ইকবাল হোসেন (২৪) ও যোবায়ের(২১)।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট একেএম হেদায়েতুল ইসলাম জানিয়েছেন, ৪৫ মৃতদেহের মধ্যে ৪০ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯ জনের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এন. হুসেইন রনী /জেসি


