অবশেষে টনক নড়েছে ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ ৬নং ওয়ার্ড থেকে নির্বাচিত আউয়াল মেম্বারের। দৈনিক যুগের চিন্তা’য় সংবাদ প্রকাশের দু’দিন পরই পূর্ব ইসদাইর সুগন্ধা মসজিদ সংলগ্ন ড্রেনের ভাঙ্গা স্লাভ নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন তিনি। ড্রেন মেরামত ও স্লাভ নির্মাণসহ আনুসঙ্গিক কাজ শেষ করতে ৭ দিন সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে।
অথচ এর আগে এ কাজের জন্য মেম্বারের কাছে বার বার ধরনা দিয়েও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি বলে ‘যুগের চিন্তা’র কাছে অভিযোগ করেছিলেন এলাকাবাসী। সরেজমিন পরিদর্শন শেষে সংবাদ প্রকাশ করা হলে এলাকার সর্বত্র আউয়াল মেম্বারের বিরুদ্ধে সমালোচনা শুরু হয়। প্রকাশিত সংবাদের সত্যতা উপলব্ধি করে এলাকাবাসী আউয়াল মেম্বারের নামের সাথে অকর্মার তকমা জুড়ে দেন। জনতার প্রচন্ড তোপেরমুখে স্পটে গিয়ে কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন তিনি।
প্রসঙ্গত, নতুন কোর্টের সামান্য উত্তরে লিংক রোডের পশ্চিম পাশে অবস্থিত ক্যামব্রিয়ান স্কুলের দক্ষিণ দিক দিয়ে পূর্ব ইসদাইর বুড়ির দোকান পর্যন্ত সড়কটি পথচারি ও হাল্কা যানবাহন বাইপাস হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। এই সড়কের সুগন্ধা মসজিদ সংলগ্ন ড্রেনের ৩টি বড় স্লাভ একটি মিকচার মেশিনের হাতে টানা গাড়ির চাপায় ভেঙ্গে পড়লে প্রায় ৩দিন সড়কটি দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে।
অনেক চেষ্টার পর গাড়িটি সরানো গেলেও ভাঙ্গা স্লাভগুলো সড়কের উপরই এলোপাতাড়িভাবে রেখে দেয়ায় তা ওয়ানওয়ে রোডে পরিণত হয়ে যায়। দুর্ঘটনার খবরটি আউয়াল মেম্বারকে জানানো হলেও তিনি এটিকে খুব একটা গুরুত্ব না দেয়ায় দীর্ঘদিন এলাকাবাসী খুব কষ্ট করে উক্ত সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হন। মেম্বারের উদাসিনতার শিকার হয়ে এলাকাবাসী নিজেদের অর্থায়নে ড্রেন পরিস্কারের কাজে হাত দেন।
সামনেই বর্ষাকাল, ড্রেন পরিস্কার না থাকলে বৃষ্টির পানি উপচিয়ে রাস্তাঘাট এমনকি কারো কারো বাড়িতেও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। আউয়াল মেম্বারের উদাসিনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জনৈক বাড়িওয়ালা বলেন, ‘ আমাদের আগের মেম্বার আলী আকবরই ভালো ছিলেন। তাকে কোন দুর্ভোগের কথা জানালে তিনি সাথে সাথে তা সামাধানে উদ্যোগী হতেন। নিজে না পারলে যাকে দিয়ে সমস্যা সমাধান করা সম্ভব তার কাছেই ছুটে যেতেন।’ এন. হুসেইন রনী /জেসি


