নারায়ণগঞ্জ আইডিয়াল স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেন তার কয়েকজন সহকর্মী এবং বন্ধুর কাছে প্রতারক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন। প্রতারণার ক্ষেত্রেও যে তিনি খুবই সিদ্ধহস্ত, তা তার কর্মেই প্রমাণ মেলে। তার দ্বারা প্রতারণার শিকার হওয়া ব্যক্তিরা না পারছেন তাকে কিছু করতে, না পারছেন মুখ ফুটে কাউকে কিছু বলতে।
আনোয়ার হোসেন নানা প্রলোভন দেখিয়ে কয়েকজন পার্টনার নিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের শান্তিনগরে একটা জায়গা ক্রয় করেন। এরপর জায়গাটি ৩ ভাগ করে প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিনি সামনের প্লটটা নিজের নামে নিয়ে নেন। পেছনের বাকি অংশীদারদের জায়গায় স্বাচ্ছন্দ্যে যাওয়া আসার জন্য ৬ ফিট জায়গা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় মুখে মুখে। সব অংশীদারই হেড স্যারের কথা বিশ্বাস করে তার সিদ্ধান্ত মেনে নেন। কিন্তু করোনাকালে সবাই যখন গৃহবন্দি তখন বাকি অংশীদারদের না জানিয়ে তার অংশে বিল্ডিং তোলার কাজ শুরু করেন।
কিন্তু পেছনের প্লটে যাওয়ার জন্য মাত্র ২ ফিট জায়গা খালি রাখেন। এতে পেছনের শরিকরা উভয় সংকটে পড়ে যান। জায়গাটা এতোটাই সরু হয়ে যায় যে, সেখান দিয়ে একটা রিকশাও যাওয়া-আসা করতে পারছে না। তারা না পারছেন জায়গা বিক্রি করতে, না পারছেন সেখানে কোন স্থাপনা গড়তে।
জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেনের এ ধরণের প্রতারণার প্রতিকার করতে স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা স্বয়ং কাসেম জামালও ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি এ বিষয়ে একাধিক বৈঠকে বসেও কোন সুরাহা করতে পারেননি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশ।
এ প্রসঙ্গে উক্ত জায়গার একজন অংশীদার বলেন, ‘ এটা বড় লম্বা স্টোরি ভাই সাহেব। আমি উনার ব্যবহারে খুবই মর্মাহত হয়েছি। আমরা পেছনের জায়গার মালিকরা পড়েছি উভয় সংকটে। জায়গাটি বিক্রি করতে চেয়েও পারছি না। রাস্তা না থাকায় কোন কাস্টমার পাওয়া যাচ্ছে না। আবার নিজেরা থাকার জন্য কোন স্থাপনাও করতে পারছি না। কী করমু এখন, তাও মাথায় আসছে না।’ এস.এ/জেসি


