Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

তরমুজ-আনারসের সরবরাহ বাড়লেও কমেনি দাম

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২২ মার্চ ২০২৪, ০৮:৫১ পিএম

তরমুজ-আনারসের সরবরাহ বাড়লেও কমেনি দাম
Swapno


বছর ঘুরতে না ঘুরতে শুরু হয়ে গেলো পবিত্র রমজান মাস। এ পবিত্র দিনে সারাদিন রোজা শেষে ক্লান্তি দূর করতে ইফতারের সময় সরবতসহ খাবারের নানান আয়োজন করেন রোজাদাররা। এ সময় ফলের চাহিদাটাও থাকে কম-বেশি।

 

 

সরেজমিনে ফলের বাজারে দেখা যায়, বাজারে প্রচুর তরমুজ ও আনারসের চাহিদা ও  সরবরাহ বাড়লেও দাম কমার কোনো নাম গন্ধ নেই। এতে করে কিছু নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার গুলোতে যাদের সমস্তটা কিনা সাধ্যের বাহিরে তারা ফালি করা তরমুজ নিয়ে যাচ্ছেন।

 


ফলের আড়ৎ ঘুরে দেখা যায়,অন্যান্য ফলের তুলনায় বাহারি আকারের ছোট-বড় তরমুজ ও আনারস দিয়ে পুরো আড়ৎ যেন ভরপুর। এর যেমন চাহিদা বাড়ছে সাথে বাড়ছে দামও। কেউ কিনছেন ফালি করা তরমুজ আবার কেউ দরদাম করে আকারে কিছুটা ছোট-বড় কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। আনারস আকারবেধে বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকা করে।

 

 

অন্যদিকে তরমুজ আকারে ছোট থেকে মাঝারি গুলো বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় এবং বড় তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৭০০ টাকা পর্যন্ত। নগরীর ফুটপাত গুলোতে দেখা যায় নানা ধরনের সরবত বিক্রির সাথে সাথে আনারসও ছোট আকারে কেটে বিক্রি করতে। বাজার গুলোতে দাম নাগালের বাইরে হওয়ায় এই দোকানগুলোতে  বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ যেন ভির করছেন এবং তৃপ্তি ভরে খাচ্ছেন কেউ আবার নিয়েও যাচ্ছেন বাসার জন্য।

 


ফলের আড়ৎ এ বিপ্লব বরুয়া নামে এক ক্রেতা বলেন, রমজান মাসে ছেলে মেয়েদের ভালো মন্দ খাওয়ানোর আমাদের মতো মধ্যবিত্তদের সাধ্যের বাহিরে।  কিন্তু আমি তো বাবা। আমি তো চাই আমরা ছেলে মেয়েরা সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে যেন একটু ভালো মন্দ খেতে পারে। গত সপ্তাহে ছোট মেয়েটা বায়না ধরেছিলো তরমুজ খাওয়ার জন্য।

 

 

তখন মৌসুমের নতুন তরমুজ বাজারে উঠেছে। দাম ছিলো প্রচুর। ভেবেছি কয়েকটি দিন পর গেলে হয়তো দাম একটু কম পাবো। কিন্তু এখন এসে দেখি আগে যা ছিলো এখনও সেই আগের দামই রয়ে গেছে।  

 


বাজারে ফল বিক্রেতারা বলেন, প্রতি বছর যেটা হয় রোজার আগেই দাম বাড়তে থাকে এবং মৌসুমের শেষ দিকে কমে। মূলত বাজারে অন্যান্য ফল আসার সাথে সাথে রোজার আর ২ সপ্তাহ পর কিছুটা দাম কমতে পারে।এবার যেমন সরবরাহ হচ্ছে তেমন দাম বাড়লেও  বিক্রিও কম বেশি ভালো যাচ্ছে। সবেমাত্র মৌসুমি ফল উঠতে শুরু করেছে তাই দাম তো একটু বেশি থাকবেই তার উপর রোজার মাস চাহিদা বেশি।    এন. হুসেইন রনী   /জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন