সাপ্তাহিক ছুটির দিনে জমজমাট ইফতারি বাজার
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২৪, ০৮:২২ পিএম
গতকাল সপ্তাহিক ছুটির দিন থাকার কারনে জমজমাট ছিলো নগরীর ইফতার বিক্রির দোকানগুলো। প্রতি বছরের মতো এবারও মুখরোচক বাহারী ইফতারিকে তুলে ধরতে প্রথম রোজা থেকে ব্যস্ত সময় পার করছেন দোকানিরা। শহরের বিভিন্নস্থানের ইফতারির দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ব্যাপক ভীড় দেখা গেছে।
আসরের আযানের পর থেকে ইফতারির পসরা সাজিয়ে বসে ইফতার বিক্রি করা দোকানদাররা। পাশাপাশি শহরের অভিজাত রেস্তোরাগুলোতেও ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় ছিলো। গতকাল নারায়ণগঞ্জ শহরের বিভিন্নস্থান ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
এসব দোকানে ইফতারের নিয়মিত আইটেম আলুর চপ, ডিম চপ, বেগুনি, পেঁয়াজুর পাশাপাশি বিক্রি হচ্ছে হালিম, চিকেন ফ্রাই, চিকেন সাসলিক, তান্দুরি চিকেন, দইবড়া, রেশমি জিলাপি ইত্যাদি। এছাড়া ইফতারিতে বিশেষ আইটেম হিসিবে বিক্রি হচ্ছে কাচ্চি বিরিয়ানি, তেহারী, পোলাও রোস্ট। গত বছরের চেয়ে দাম বেড়েছে কিছুটা। তবে দামের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে চাহিদা ও বিক্রি।
ইফতারি বাজার ঘুরে জানা যায়, জিলাপি কালাই আইটেম ২৪০ টাকা। আটার জিলাপি ২০০ টাকা কেজি। বড় সাইজের জিলাপি ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে । প্রতি পিস সিঙ্গারা, সমুচা ১৫ টাকা। আলুর চপ, বেগুনি ১০ টাকা। ডিম চপ ১৫ টাকা, বিভিন্ন শাকের বড়া ১০ টাকা।
শামি কাবাব ৬০ টাকা, চিকেন রোল ৬০ টাকা, চিকেন সাসলিক ৬০ টাকা, চিকেন হালিম ৬০০ টাকা কেজি আর মাটান হালিম ৬৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে । এছাড়া পানীয় আইটেমের মধ্যে রয়েছে পেস্তা শরবত ২৮০ টাকা লিটার, মাঠা ১৩০ টাকা লিটার, বোরহানি ১৫০ টাকা লিটার, ফালুদা বড় বাটি ৩৫০ টাকা আর ছোট বাটি ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
অনেকেই এসব মাজাদার সব খাবার কিনে নিয়ে যাচ্ছেন পরিবারের সঙ্গে ইফতার করতে। আর বিক্রি ভালো হওয়ায় খুশি ব্যবসায়ীরাও।
বর্তমানে ইফতারির জন্য কি কিনতে পাওয়া যায় না বলেন। সব কিছু এখন হাতের নাগালে। বাড়িতে আমি, আমার ছোট বোন আর মা। ইফতার বানানো ঝামেলা। আম্মু একা হাতে এতো কিছু পারে না। তাই ইফতারির জন্য বাহির থেকে খাবার কিনছি। এন. হুসেইন রনী /জেসি


