মহানগর বিএনপি’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২৪, ০৩:৫৯ পিএম
বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও সুস্থতা কামনায় মহানগর বিএনপির আয়োজিত মিলাদ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার (৩০ মার্চ) নগরীর মিশনপাড়া হোসিয়ারি সমিতির প্রাঙ্গণে ওই মিলাদ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মিলাদ ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এ সময় মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড. সাখাওয়াত হোসেন খানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপুর সঞ্চালনায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গায়েশ্বর চন্দ্র রায়।
আলোচক হিসেবে ছিলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহম্মেদ টিটো, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইদুল আলম বাবুল, সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ।
এ সময় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গায়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ভারত যে পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা বা রেমিট্যান্স নেয়। তার সিরিয়ালে ৩ নাম্বারে বাংলাদেশ। স্বাস্থ্য খাত থেকে ভারত যে আয় পায় তার মধ্যে ৬৪ ভাগ বাংলাদেশের আর ৩৬ ভাগ তাদের। তাহলে ভাবেন আমরা যদি না যাই ভারতে তাহলে এই হসপিটাল গুলোর কি হবে, তাদের হোটেল গুলোর কি হবে।
প্রতিদিন ১০ হাজার লোক পাসপোর্ট জমা দেয় ভিসার জন্য। তার সাথে ফিস দিতে হয় ৮শ’ টাকা, এতে প্রতিদিন ৮০ কোটি টাকা। মাসে ২শ’ ৪০ কোটি টাকা। এই ছোট্ট দেশ থেকে ভারতের কি আয় সেটা যদি দেখেন তাহলে মাথা ঠিক থাকার কোন কারণ নাই। মেইড ইন ইন্ডিয়া বিজ বর্জন করার আগে মেইড ইন ইন্ডিয়ান যে সরকার আছে সেটাকে আগে বিদায় করতে হবে। এটাকে বিদায় দিলেই আমাদের সকলের মুক্তি নিশ্চিত হবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা ভোট বর্জনের কথা বলেছিলাম। আর দেশের মানুষ ভারতের পণ্য বর্জনের কথা বলছে। আরে, দেশের মানুষ তাদের পণ্য বর্জন করেছে গত ৭ জানুয়ারি। ভারতের সবচেয়ে নিম্নমানের প্রোডাক্ট হলো আওয়ামী লীগ এবং এই সরকার। সুতরাং, এটা যদি ঠিকমতো বর্জন করতে পারেন, তাহলে ভারতের পণ্য বর্জন হবে।
ওবায়দুল কাদের জবানবন্দি দিয়েছেন, ভারত যদি আমাদের পাশে না থাকতো তাহলে নির্বাচন সম্পূর্ণ করা সম্ভব হতো না। তার মানে তারা বুঝিয়ে দিয়েছে তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত না। ভারত থেকে মনোনীত। ভারত, চীন ও রাশিয়া তিন দেশের প্রোডাক্ট হলো এই সরকার। আর তাই জনগণ এখন ভোট বর্জন নয়, ওদের যারা বারবার ক্ষমতায় আনে তাদের পণ্য বর্জনের কথা বলছে।
তিনি বলেন, একজন এমপি বললেন, জিনিসপত্রে দাম বেশি কিন্তু একজন মানুষও না খেয়ে মরেনি। আমি সেই বক্তব্য শুনে হাসলাম। গুলি থাকতে না খেয়ে মরবে কেন? গুলি খেয়ে মরছে। সীমান্তে আমাদের মানুষজনকে গুলি করে মারছে। হাজার হাজার কোটি টাকা অস্ত্র কিনি আর সীমান্তে আমাদের বর্ডার গার্ড দাঁড়িয়ে থাকে। আমরা যদি প্রতিবাদ করতেই না পারি তাহলে অস্ত্রের দরকার কী?
ইফতার মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির নেতা মাশুকুল ইসলাম রাজিব, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক মনির হোসেন খান, ও ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন, মহানগর বিএনপি’র সদস্য হাবিবুর রহমান দুলাল, সিনিয়র সদস্য এড. মুজিবুর রহমান, সদর থানা বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানা, সাধারণ সম্পাদক এড.এইচ এম আনোয়ার প্রধান, বন্দর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাজারুল ইসলাম হিরণ।
সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ লিটন, বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি শাহেনশাহ, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল, সদস্য সচিব শাহেদ আহম্মেদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাখাওয়াত হোসেন রানা, সদস্য সচিব মমিনুল ইসলাম বাবু, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুর রহমান সাগরসহ প্রমুখ। এন. হুসেইন রনী /জেসি


