ওয়াটার প্যালেস রেস্তোরাঁর পঁচা খাবার, ভ্যাট ফাঁকি
শরীফ উদ্দিন সুবজ
প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৩৯ পিএম
স্ত্রী ছেলেকে নিয়ে রাতে শহরে রিকশা দিয়ে ঘুরতে বের হলাম। রাত সোয়া নয়টায় গেলাম রাসেল পার্কের ভাসমান রেস্তোরাঁ ' ওয়াটার প্যালেসে'। অর্ডার করার সময় ওয়েটার বললেন, আগের অর্ডারগুলি জমে গেছে। দশ মিনিট অপেক্ষা করতে। পনেরো-বিশ মিনিটের মাথায় আমাদের অর্ডার নেয়া হলো। ১টি নাগা নাচোস, ২ টি সেট মেনু। ২০ মিনিট পর আসলো নাগা নাচোস।
এটা অন্থনের মতো একটা জিনিস। তাৎক্ষণিক তৈরী করলে অন্থনটা গরম থাকার কথা। কিন্তু যেটি আমাদের দেয়া হলো মনে হলো এই জিনিসটা অনেক আগে তৈরী করে রাখা। ঠান্ডা। উপরে সস, পনির, মেয়নেস-এসব ছিটিয়ে দিয়ে দিয়েছে। অর্ডার নেয়ার প্রায় এক ঘন্টা পর এলো সেট মেনু। দুই প্লেট সেট মেনুর সাথে চার পিস চিকেন। ২ টি ভালো, দুইটি চরম দুর্গন্ধ। আমরা ভাবলাম থাক বেড়াতে বের হয়ে গেন্জাম করবো না। কোনোমতে খেয়ে চলে যাই।
এলো বিল দেয়ার পালা। ৭৭০ টাকা বিল একটা টুকরো কাগজে লিখে এনে দিলো। আমি বললাম পাকা রশিদ দেন। ওয়েটার ও কাউন্টারে বসা লোক বললো, রশিদ শেষ হয়ে গেছে। বললাম, রেস্টুরেন্টের সিল দিয়ে বিল দেন। কাউন্টারের লোক বিরক্ত হয়ে বললো কেন আমি রশিদ চাইছি? আমি বললাম, আচ্ছা মালিকের নাম, ফোন নাম্বার দেন।
তার সাথে কথা বলি। তারা প্রথমে বললো, তাদের মালিকের নাম রাব্বি। কিন্তু ফোন নাম্বার দিলো না। এরপর এলো সাব্বির নামের একজন। সে নিজেকে অন্যতম মালিক দাবী করলো।
কিন্তু সে একইভাবে রশিদ নেই বলে জানালো। অর্থাৎ খুব স্পষ্টভাবেই তারা ভ্যাট ট্যাক্স ফাঁকি দিচ্ছে। আবার পঁচা খাবারও ভালো খাবারের সাথে মিশিয়ে ক্রেতাকে দিয়ে দিচ্ছে। লেখক : শরীফ উদ্দিন সুবজ, সিনিয়র সাংবাদিক। এন. হুসেইন রনী /জেসি


