সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দিনক্ষণ যত ঘনিয়ে আসছে। নির্বাচনী জটিলতা ততই বাড়ছে। বিরোধী দল তথা জামাত বিএনপি নির্বাচনে না আসায় ক্ষমতাশীন সরকার এবার দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচনের ঘোষনা দিয়েছেন।
তাই সারা দেশের ন্যায় সোনারগাঁ উপজেলায় ও নির্বাচনের হিসাব নিকাশ মিলাতে নেতা কর্মীদের মধ্যে জটিলতা দেখা দিয়েছে।
এবার সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কে হচ্ছেন, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন। কার মাথায় উঠবে বিজয়ের মালা। তবে আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট সামসুল ইসলাম ভুঁইয়া এবার নির্বাচনে প্রার্থী না হওয়ায় আরো বেশি জটিলতা দেখা দিয়েছে।
এখন সোনারগাঁ উপজেলায় আওয়ামী লীগের দুই যুগ্ম সম্পাদক ও যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু, সাধারণ সম্পাদক আলী হায়দার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কিন্তু শক্ত প্রার্থী হলো উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নং সদস্য মাহফুজুর রহমান কালাম ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান বাবুল ওমর বাবু।
অনেকের ধারনা ও মাঠ জরিপে বলছে। নান্নু আর আলী হায়দার ডামি প্রার্থী। আর তারা দুজন প্রার্থী হয়েছে কালামকে ঠেকাতে। অনেকের ধারণা কালাম এবার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী।
কারণ, কালাম ইতিপূর্বে তিন বার উপজেলা পরিষদ নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছেন। এবার তার পাস করা দরকার। তাই তিনি ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার পক্ষে সোনারগাঁ উপজেলার অনেক প্রবীণ রাজনীতিবিদ মাঠে কাজ করছেন।
কিন্তু উপজেলা আওয়ামী লীগ তার পক্ষে সরাসরি না নামলেও আবু জাফর চৌধুরী বিরু কিন্তু তার পক্ষে কাজ শুরু করে দিয়েছেন।
অপরদিকে বাবুকে বিজয়ী করতে গোপনে বা অঘোষিতভাবে উপজেলা আওয়ামী লীগ কাজ করছে বলে সুত্র জানায়। বাবুর কাছ থেকে নাকি অনেক নেতা ইতিপূর্বে নির্বাচনী খরচ নিয়ে বিদেশ ঘুরছেন।
সোনারগাঁ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের নিচের কাপড় ভিজে গেছে। কালাম পাস করলে চেয়ারম্যানী থাকবে না তাদের এ ভয়ে। তাই তারা বাবুর হয়ে কাজ করছেন। বাবুকে পাস করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন।
তবে বিজ্ঞজনরা মনে করেন যেই চেয়ারম্যান হোক সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদ দিয়ে জনগণের কোন ফায়দা হবে না। জনগন আরো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। লাভ হবে চেয়ারম্যানের চেলাফেলাদের।
তারা বলেন কালাম তিন বারের খরচ উঠাতে চাঁদাবাজি, লুটপাট করবে। আর বাবুতো ইতোমধ্যে চাঁদাবাজির টাকায় নির্বাচনে ঢালছে। কে দিবে জনগণের শান্তি। এস.এ/জেসি


