গতকদিন ধরে হঠাৎ হঠাৎ হওয়া বৃষ্টিতে মানুষ ধীরে ধীরে ভুলতে শুরু করেছিলো গ্রীষ্ম ঋতুকে। কিন্তু গ্রীষ্ম তার আসল রূপ দেখাতে নিয়ে আসছে জ্যৈষ্ঠ মাসকে। বৈশাখ শেষ করে জ্যৈষ্ঠ আসতে আর মাত্র সপ্তাখানেক বাকি। তাই তীব্র রোদ আর হঠাৎ হঠাৎ হওয়ার বৃষ্টি থেকে বাচতে বর্ষার ঋতু আসার আগে ছাতা বিক্রির দোকান গুলোতে ক্রেতাদের পদচারণ দেখা যায়।
গতকাল নারায়ণগঞ্জের পাইকারি কালিবাজারে ছাতার দোকানগুলো ঘুরে দেখা যায়, প্রখর রোদ আর তীব্র গরম থেকে বাচতে ছাতার দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় করছে। কেউ কেউ ছাতা কেনেন, আবার কেউ দরদাম করে ফিরে যান। পাইকারি বাজারে ছাতার বিক্রির দাম ২৫০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে।
বিভিন্ন নকশা, রং আর আকারের মধ্যে গাঢ় সবুজ, খয়েরি ও নীল রঙের ছাতা বেশি বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। অন্যদিকে সেই ২০০-৩০০ টাকা ছাতা খুচরা বাজারে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় ছাতা বিক্রি হচ্ছে।
একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন তৌফিক আহম্মেদ স্কুলপড়ুয়া ছেলেমেয়ের জন্য ছাতা কিনতে এসেছেন। তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে তাপমাত্রা এতটাই পরিবর্তিত হয়েছে যে প্রতিদিন ঘর থেকে বের হওয়ার সময় ছাতা সঙ্গে রাখা খুব জরুরি।
বাড়িতে একটাই ছাতা আছে যেটা আমি নিয়ে বের হই, ছেলেমেয়েদের কথা মাথায় রেখে দুটি ছাতা কিনতে এলাম। বর্ষার পাশাপাশি এখন গরমের সময়ও ছাতার দাম অনেক বেশি। আগে ভালো মানের বড় ছাতা গুলো ৩০০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন সেটির দাম ৪০০ টাকা।
মাথায় ক্যাপ পড়ে ছাতা দেখছেন সায়মন হাসান। তিনি বলেন, গত কয়েকদিন আগেও যে রোদ পড়ছে সেই তীব্র রোদে শরীর পুড়ে যাওয়ার অবস্থা। তবে কিছু দিন ধরে বিকালের সময় আকাশ কিছুটা মেঘলা মেঘলা দেখা যাচ্ছে। কিন্ত্র এতে তো দুপুরের রোদের প্রখরতা কমছে না। বাসা থেকে বের হলে ছাতা পানি সাথে রাখা লাগে। তাই আজ একটা ছাতা কেনার জন্য মার্কেটে এসেছি। ভালো ছাতার দাম বেশি হওয়ায় আপাতত রোদ থেকে বাঁচতে নরমাল ছাতা কিনেছি। এন. হুসেইন রনী /জেসি


