Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

ভালো রেজাল্টের উল্লাসে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৪, ১০:৫৩ পিএম

ভালো রেজাল্টের উল্লাসে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা
Swapno


নেচে, গেয়ে আনন্দ উল্লাস করেছে শিক্ষার্থীরা। আবার দেখা যায় কিছু শিক্ষার্থীরা আনন্দ- উচ্ছাসে থাকলেও আবার কারও মন ভার। প্রতি বছরের মতো এ বছরও মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) সমমান পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশ নিয়ে স্কুল গুলোতে অভিবাবক- শিক্ষার্থীদের এক অন্যরকম উচ্ছাস ও উদ্দিপনার দৃশ্য দেখা গেছে।

 

 

এবার নারায়ণগঞ্জ জেলায় মোট এসএসসি পরিক্ষার্থীদের সংখ্যা ছিল ২৯০৬৩ জন।  দেখা গেছে নারায়ণগঞ্জ জেলায় সবচেয়ে বেশি জিপিএ-৫ প্রাপ্ত পরিক্ষার্থীদের সংখ্যা রূপগঞ্জ উপজেলায়।

 


নারায়ণগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিস কার্যলয়ের তত্য অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জ সদরে মোট অংশগ্রহন পরীক্ষার্থী ছিল ১৩৮২৬ জন। উত্তির্ণ পরিক্ষার্থীর সংখ্যা ১২১৩৬ জন যা শতকরা ৮৭.৭৮%। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬৭৩ জন। বন্দর উপজেলায় ৩১০৩ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তির্নের সংখ্যা ২৬১৭ জন এবং পাশের হার ৮৪.৩৮% শতকরা।

 

 

এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬৩ জন পরিক্ষার্থী। সোঁনারগাও উপজেলায় ৪১৪১ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তির্নের সংখ্যা ৩৬৮৬ জন এবং পাশের হার ৮৯.০১% শতকরা। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৪১ জন শিক্ষার্থী। আড়াইহাজার উপজেলায়৩২৬৭ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তির্নের সংখ্যা ২৯২৪ জন এবং পাশের হার ৮৯.৫০% শতকরা।

 

 

এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮৭ জন শিক্ষার্থী।  রুপগঞ্জ উপজেলায় ৪৭২৬ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তির্নের সংখ্যা ৪২১৪ জন এবং পাশের হার ৮৯.১৬% শতকরা। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৬৪ জন শিক্ষার্থী।

 


রেজাল্ট দেখতে আসা মর্গ্যান গার্লস স্কুলের কিছু শিক্ষার্থীদের সাথে কথা হয়। তারা বলেন, এখন অনলাইনে রেজাল্ট দেখা যায় এখন, তাই আমাদের অনেক ফ্রেন্ডরাই স্কুলে আসে নি। সবার মাঝেই একটা টেনশন ছিলো যে কি রেজাল্ট হবে। আজকে রেজাল্ট পেয়ে আমাদের মন কিছুটা স্থির হয়েছে। এতো দিন অনেক টেনশনে ছিলাম।

 


হাবিবা নামে অপর শিক্ষার্থী বলেন, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি। রেজাল্টের আগে যে টেনশন ছিলো। তা এখন নেই। ভালো রেজাল্ট নিয়ে পাস করেছি এতেই খুশি। শিক্ষকরাও আমাদের এই রেজাল্ট দেখে আমাদের সাথে আনন্দ-উল্লাস প্রকাশ করছে। তার কথার সুর ধরে নাসরিন বলে, আমি বিশ্বাসই করি নাই যে আমি পাস করমু।

 

 

ভালো ফলাফল পাওয়ার জন্য ফ্রেন্ডদের সাথে আড্ডায় কমিয়ে দিয়েছিলাম। সবকিছু বাদ দিয়ে পড়াশোনা করেছি। এখন ভালো রেজাল্ট করে আনন্দ লাগছে।

 


 ফল প্রকাশের পর অভিভাবকরা ফোন করে তাদের আত্মীয় স্বজনদের ফল জানাচ্ছেন। এমন সময় কিছু অভিবাবকদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, আমাদের বাচ্চারা পরিক্ষায় ভালো ফলাফল করেছে তাতেই আমরা গর্বিত ও সন্তুষ্ট।  এতো দিন যে কি একটা টেনশনে ছিলাম আল্লাহ ভালো জানত। এখন আপাতত শান্তি লাগছে। শুনছি এবছর নাকি অধিকাংশ আমাদের পাসের হার আসছে।এন. হুসেইন রনী  /জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন