অনেক জবরদখল থেকে মানুষের জমি উদ্ধার করে দিয়েছি : জেলা প্রশাসক
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৪, ০৩:০৫ পিএম
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহমুদুল হক বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে ল্যান্ড নিয়ে অনেক অভিযোগ রয়েছে। একজনের রেকর্ড হয়ত আরকজনের নামে হয়ে গেছে। এজন্য ভূমি অপরাধ আইন করা হয়েছে। আমরা এই আইন দেখিয়ে অনেক জবরদখল থেকে মানুষের জমি উদ্ধার করে দিয়েছি।
গতকাল বুধবার (১৫ মে) দুপুরে ডিজিটাল ভূমি জরিপ ও ভূমি ব্যাবস্থাপনা বিষয়ক সেমিনারে অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জে অনেক জায়গায় মালিক উপস্থিত থাকে না। তাদের জমি যেন অন্য কারও নামে রেকর্ড করা না হয় এটা আমরা খতিয়ে দেখবো। নারায়ণগঞ্জে যেন মানুষ হয়রানির শিকার না হয়।
তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার ডিজিটাল বাংলাদেশের যে রুপ সেটা ভূমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান। এজন্য আমাদের ডিজিটাল রেকর্ড রাখা খুব জরুরি। তিনি আরও বলেন, আমাদের এখানে দীর্ঘদিন কোন জরিপ হয়নি। আমাদের ভূমি কর্মকর্তাদের সেবা পৌছে দেয়ার জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের এ উদ্যোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আমাদের সেবাগ্রহীতারা এ বিষয় সম্পর্কে জানে না। তারা এসে বলে আমি ভূমি অফিসে গিয়েছি, আসলে তফসিল অফিসে গিয়েছে। অথচ তিনি জানলে ঘরে বসে নামজারি করতে পারেন। আমাদের ভূমি অফিসের সামনে কিছু কম্পিউটারের দোকান আছে। তারা কিছু ফি নিয়ে আবেদন করে দেয়।
এই আবেদন করার পর এসিল্যান্ডের কাছে শুনানিতে যাওয়া ছাড়া তফসিল বা ভূমি অফিসে যাওয়ার দরকার নেই। খাজনা যারা দেয় তারা এখন মোবাইল এপস ব্যাবহার করে খাজনা দিতে পারেন। মানুষ জানে না বলে ভূমি অফিসে যায়।
আমাদের জনগণকে এটা জানানো দরকার। নারায়ণগঞ্জে ভূমি মন্ত্রণালয় কোরিয়ান সহায়তায় বন্দরের একটি অংশে এ কাজটি করা হচ্ছে। ডিজিটাল জরিপে যেটা করা হবে এটার ব্যাপারে আমাদের সচোতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। যিনি জমির প্রকৃত মালিক তার নামে যেন জমিটা থাকে। আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রে রেকর্ড রাখবো। এন. হুসেইন রনী /জেসি


