Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

জুতা হাতে চলাচল করছে মানুষ

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৪, ১০:৪৬ পিএম

জুতা হাতে চলাচল করছে মানুষ
Swapno


ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে ফতুল্লার দক্ষিণ সস্তাপুর, মধ্য সস্তাপুর, পূর্ব সস্তাপুর, পিঠালীপুল, রামারবাগ, কাঠেরপুলসহ বেশকিছু এলাকা। সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও উঠেছে পানি। অনেক পুকুরের মাছ ভেসে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে, তলিয়ে গেছে মাঠঘাট। অন্তত ৮ থেকে ১০টি এলাকা প্লাবিত হয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে মানুষজন।

 


সরেজমিনে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলাধীন ফতুল্লার বুড়ির দোকান, কোতালেরবাগসহ বেশ কিছু এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অতীব জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না কেউ। এলাকার রাস্তাগুলোর কোথাও জমে আছে হাঁটু পানি। জুতা হাতে চলাচল করছে কিছু মানুষ। তবে, বেশিরভাগ এলাকাগুলোই ছিল প্রায় জনমানবশূন্য। দোকান-পাটগুলোত বন্ধ থাকতে দেখা গেছে।

 


দক্ষিণ সস্তাপুর এলাকার ব্যবসায়ী হামিদ মিয়া জানান, ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে মারাত্মক বৃষ্টি হয়েছে। যার কারণে আমাদের পুরো এলাকাজুড়ে পানি থৈ থৈ করছে। লোকজন ঘর থেকে বের হতে পারছে না। আমার মায়ের জরুরী ঔষধ লাগবে তাই বের হতে হয়েছে। এলাকার একটা ফার্মেসীর দোকানও খোলা নেই। তাই বাধ্য হয়ে শিবু মার্কেট যেতে হচ্ছে।

 


কাঠেরপুল এলাকার শুভ জানান, বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় সবচেয়ে বেশি কষ্ট করছে আমাদের এলাকার মানুষ। শিল্প এলাকা হওয়ায় একপ্রকার বাধ্য হয়েই কর্মজীবি মানুষগুলো পানি মাড়িয়ে চলাচল করছে। সকাল থেকেই পানি জমে আছে রাস্তায়। প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে পানি কমতে দেরী হচ্ছে।

 


বুড়ির দোকান এলাকার জনি ফকির বলেন, আমাদের এলাকার এমন কোথাও নেই যে পানি জমে নেই। প্রত্যেকটি রাস্তা ও অলিগলিতে পানি জমে আছে। অনেক বৃষ্টি হওয়ার কারণে পানি সরতে বিলম্ব হচ্ছে। তার উপর নিম্নমানের ড্রেনেজ ব্যবস্থা পানি জমে থাকার অন্যতম কারণ।

 


মধ্য সস্তাপুর এলাকার ইব্রাহিম বলেন, বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার কারণে দোকান খুলতে পারিনি। সোমবার প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে রাস্তার পানি আমার দোকানের মধ্যে ঢুকে গেছে। সেই পানি অপসারণ করে দোকান বন্ধ করে রেখেছি। আজকেও দোকানের সামনে থৈ থৈ করছে পানি। চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছি।

 

 

অন্তত ড্রেনেজ ব্যবস্থাগুলো যদি একটু উন্নত হতো তাহলে হয়তো পানি তাড়াতাড়ি নেমে যেতো। এমনিতেই ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিম্নমানের, তার উপর পলিথিনের কারণে বিভিন্ন জায়গায় পানি আরও বেশি আটকে আছে।    এন. হুসেইন রনী  /জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন