Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

কোরবানির ঈদকে ঘিরে জমজমাট মৌসুমি ব্যবসা

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৪, ১০:১৯ পিএম

কোরবানির ঈদকে ঘিরে জমজমাট মৌসুমি ব্যবসা
Swapno


ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে শুরু হয়েছে কোরবানির পশুর খাবারসহ কোরবানির আনুষাঙ্গিক সরঞ্জামের  মৌসুমি ব্যবসা। প্রতিটি হাটের আশেপাশে মিলছে খড়, ভুষি, ঘাসসহ পশুর খাবার। পাশাপাশি পাওয়া যাচ্ছে মাংস কাটার খাট্টা, পাটি, ছুরি, বটিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম।

 

 

বিক্রেতারা বলছে, তারা সারা বছর অন্য কাজ করে ঈদের ১ সপ্তাহ আগে বিক্রি শুরু করেন। এখনও বিক্রি তেমন শুরু না হলেও আগামী কয়েকদিন বিক্রি শুরু হবে এবং আহের বারের চেয়ে এবার বেচা-বিক্রি বেশি হবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

 


ঈদের মাত্র আর বাকি ৫ দিন। তাই গতকাল নগরীর বেশ কয়েকটি হাট ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতারা কোরবানির পশুর জন্য খড়, ঘাস, ভুষি কিনছেন। অনেকে আবার কিনে নিচ্ছেন পশু জবাইয়ের জন্য ছুরি-চাপাতি। আর মাংস কাটার জন্য কাঠের গুঁড়ি। এছাড়া মাংস ছড়িয়ে রাখার জন্য হোগলা।

 


নারায়ণগঞ্জে ২নং ঢাকেশ্বরী হাটের পাশে কথা হয় কাঠের গুড়ি বিক্রেতা বিকাশের সাথে তিনি বে লন, সারা বছর আমি কাছের আসবাপত্র বানিয়ে থাকি। শুধু মাত্র কোরবানির ঈদের সময় মাদারীপুর থেকে কাঠ কিনে এনে সেগুলোকে নিজ মিলে বিভিন্ন আকারে কাটা হয়। তিনি আরো বলেন, গাছের গুড়ি তিনি ২০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে বিক্রি করেন।

 


অপরদিকে গোখাদ্য বিক্রেতা মো. মনির হোসেনের বলেন, তিনি প্রতি কেজি গমের ভূষি ৭০ টাকা, ধানের গুড়া ৩০ টাকা, খেসারি ডালের ভূষি ৮০টাকা, ডাবলি ও মশারি ডালের ভূষি ৭০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। মো. মনির হোসের  পেশায় একজন মুদি দোকানদার। প্রায় লাখ টাকার গোখাদ্য তিনি কিনেছেন এবার।

 

 

গতবার আরো বেশ টাকার গোখাদ্য কিনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেবছর সব বিক্রি করতে না পারায় লোকসান হয়েছিল। তবে এবার বোঝা যাচ্ছে ভালো বিক্রি হবে।  ঈদের আগের দিন বিক্রি কয়েকগুণ বাড়বে বলে আশা এই বিক্রেতার। অন্যদিকে কোরবানির পর মাংস রাখার হোগলা বা পাটি ছোটগুলো বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা আর বড়গুলো বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়।

 


প্রতিবছর কোরবানির ঈদ এলেই চাহিদা বেড়ে যায় গোশত কাটার বিভিন্ন সরঞ্জামের। ক্রেতারা দা, বটি, ছুরি, চাপাতি, কুড়ালসহ ইত্যাদি অন্যান্য সরঞ্জাম কিনতে ভীড় করছেন। তাই ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে কোরবানির বিভিন্ন সরঞ্জাম বিক্রি করছেন মিন্টু মিয়া। তিনি বলেন, ছোট বটি ৩০০ টাকা, কাচি ৮০ টাকা, কোরবানির পশুর চামড়া ছাড়ানো চায়না ছুরি ২৫০ টাকা আর দেশিগুলো ১৬০ টাকা। এছাড়া আকার ভেদে ছোটগুলো বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকায়।

 


শিবুমার্কেট থেকে আগত রনি একটি চাপাতি, চামড়া ছাড়ানোর ছোট ছুড়ি বিক্রেতার সাথে দাম কষাকষি করছিলেন। সেসময় কথা হয় তার সাথে তিনি বলেন, কোরবানির জন্য গরু কিনা হয়েছে। এখন কাটার সরঞ্জাম কিনার জন্য আগে-ভাগে এসেছি। গতবছরের তুলনায় দাম একটু বেশি হাকছেন তারা। তবে এখন কিনলে যে দামে কিনতে পারবো ২দিন পর আসলে একই জিসিন তারা দ্বিগুন দাম বেশি দিয়ে বিক্রি করবেন।     এন. হুসেইন রনী  /জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন