Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

গরমে হাসঁফাস নাগরিক জীবন

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৮:০৪ পিএম

গরমে হাসঁফাস নাগরিক জীবন
Swapno

 


সূর্য যেন এখন পুরোই মাথার উপর তা দিচ্ছে । মৌসুমের এই গত কয়েকদিনের গরমে ছোটবড় সবার হাঁসফাঁস অবস্থা। ৫মিনিটের জন্য একটু বাহিরে বের হওয়াই যেন গা পুরে যাওয়াও মতো পরিস্থিতি। সকাল হতে না হতেই তীব্র তাপদাহ সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলছে, নেই  হাওয়া- বাতাস পুরোই দুর্বিসহ অবস্থা। রাতেও ভ্যাপসা গরম , ঘুমানোই এখন মুশকিল হয়ে পরেছে।

 

 

গতকাল নারায়ণগঞ্জে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জানা যায়, গত কয়েকদিন এই তাপমাত্রা আরো কিছুটা বাড়বে। দেখা যায়, এই কাটফাটা রোদে মৌসুমি রোগের প্রকোপও বেড়েছে। হাসপাতাল গুলোতে বমি, ডায়রিয়া ও জ্বরের রোগীদেরকেই বেশি দেখা যাচ্ছে। অন্যান্যদের তুলনায় নারী ও শিশুদের ভোগান্তির মাত্রা বেশি।

 


দিনে কয়েকবার গোসল করেও যেন স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে না। এই অতিষ্ট গরমে হাসফাস অবস্থা নিয়েই কাজ করে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। দিনমজুর এক রিকশাচালক মতিন ভুইয়া বলেন, কিছুক্ষন আগে ২০ টাকার একটা পানির বোতল কিনছি মাথায় পানি ডালার লাইগা। এই গরমে আর টিকতে পারতাছিনা , পেটের দায়ে কোনোরকম কষ্ট কইরা হইলেও চলছি আরকি।

 


কথা হয় প্যাডেল চালিত বৃদ্ধ রিকশাচালক এরশাদ আলীর সঙ্গে। তিনি বলেন, গরমের কারণে বাইরের কাজ কারাই মুশকিল হয়ে গেছে। আমাদের কাজ তো পরিশ্রমের, ঘাম ঝরানোর কাজ। এই গরমে আর একটিও প্যাডেল মারা যায় না। কিন্তু কী আর করার। গত কয়েকদিন ধরে খুব গরম, মাঝে মাঝে রিকশা থামিয়ে সিটের নিচ থেকে বোতল বের করে মাথায় পানি দিতে হয় আবার পানি খেতেও হয়। যাত্রী নিয়ে যাওয়ার সময় শরীরের ঘাম মাটিতে পড়ে। তীব্র গরমে খুব কষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

 


কলেজ পরুয়া কিছু শিক্ষার্র্থীরা জানান, গত কয়েকদিনের গরমে এমন হয়েছে যে, দিনে কয়েকবারই এখন খাবার সেলাইন বানিয়ে খেতে হচ্ছে। প্রচন্ড গরমে  সিএনজি, অটোরিকশার ভাড়াও দ্বিগুন বাড়ছে।

 


অন্যদিকে দেখা যায় রাস্তায় শরবত বিক্রেতাদের কাছে প্রচুর ভিড়। শরবত বিক্রেতারা বলছেন, এমন তাপদাহে আমাদের শরবত বিক্রি অনেকাংশে বেড়েছে। সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে সকল শ্রেনীপেশার মানুষ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভিড় করছে শরবত খাওয়ার জন্য। তবে এই সিগ্ধ করা রোদে দাড়িয়ে দাড়িয়ে শরবত বেচাবিক্রি করাও দায় হয়ে পরেছে ।      এন. হুসেইন রনী  /জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন