শুভ অপহরণ মামলায় রানাকে গ্রেপ্তারের বাধা কোথায়?
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম
শুভ অপহরণ মামলায় রানাকে গ্রেপ্তারের বাধা কোথায়?
নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাখাওয়াত ইসলাম রানা ওরফে ‘ভাগিনা রানা’ ইসদাইর-চানমারি রেললাইন এলাকায় শুভ অপহরণ মামলার অন্যতম আসামী হয়েও পুলিশের চোখে ধুলা দিয়ে ১৮নং ওয়ার্ডের শহিদনগর এলাকায় খেলাধুলার অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে এক প্রকার ফুলের ভালবাসায় শিক্ত হচ্ছেন। এদিকে ফতুল্লা থানায় শুভ অপহরণের মামলা গৃহীত হলে ইতিমধ্যেই তিনজন আসামীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।
তবে নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক শাখাওয়াত ইসলাম রানা উক্ত মামলায় অন্যতম আসামী হলেও তাকে গ্রেফতারে ফতুল্লা থানা পুলিশের বাঁধা কোথায়? যেটা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে ফতুল্লা থানা পুলিশের দিকে কিন্তু অপহরণের মামলায় দুর্ধর্ষ শাখাওয়াত ইসলাম রানা ওরফে ‘ভাগিনা রানার’ গ্রেফতারের হুলিয়া ঝুললেও অজ্ঞাত কারণে তদন্তের অযুহাত দিয়ে ফতুল্লা থানা পুলিশ এক প্রকার রানাকে প্রভাবশালী বিএনপি নেতা হিসেবে সেইফ করে যাচ্ছেন।
তবে ফতুল্লা থানা পুলিশের কাছে রানার গ্রেফতার সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তদন্তের দোহাই দেন। স্থানীয় সূত্র বলছে, গত ২৫ মার্চ শুভর নেতৃত্বে তাঁর বাহিনীর সদস্যরা ফতুল্লার চাষাঢ়া রেললাইন এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাখাওয়াত ইসলাম রানার গ্যারেজ দখলের উদ্দেশ্যে হামলা চালান। সেই ঘটনার জের ধরে ২৯ মার্চ শুভর ওপর পাল্টা হামলা চালায় রানার অনুসারীরা।
এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়। নিখোঁজ শুভর স্ত্রী পিংকী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৯ মার্চ বিকেলে শুভ সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকেশ্বরী এলাকায় তাঁর শ্বশুরবাড়িতে যান। পরে সন্ধ্যায় শাকিল তাঁকে ফোন করে পূর্ব ইসদাইর রেললাইন এলাকায় ডেকে নেন। সেখানে পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কয়েকজন আসামি তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন।
একপর্যায়ে গুরুতর আহত অবস্থায় শুভ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাঁকে একটি অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও নিয়ে যাওয়া হয়। এর পর থেকেই শুভ নিখোঁজ রয়েছেন। মামলার আসামিরা হলেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাখাওয়াত ইসলাম রানা (৫১), কাশেম (৪৫), সাব্বির (২১), শাকিল (২৮), পাপ্পু (৪০), মো. আলী মিয়া (৩৮), জাহিদ (৩৫), রাজ্জাক (৫০), ওয়াসিম (২৩) ও লাল শুভ (২০)। তাঁদের মধ্যে সাব্বির, রাজ্জাক ও ওয়াসিমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।


