Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

রাইফেল ক্লাবের লুট করা অস্ত্র শরীফ বাহিনীর হাতে

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম

রাইফেল ক্লাবের লুট করা অস্ত্র শরীফ বাহিনীর হাতে

রাইফেল ক্লাবের লুট করা অস্ত্র শরীফ বাহিনীর হাতে

Swapno



চাঁনমারীতে আলোচিত নাসির হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামী শরীফ আত্মসমর্পণ করে কারাগারে যান। এমন একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামী আত্মসমর্পণ করলেও অদৃশ্য কারণে তার আত্মসমর্পণের বিষয়টি অত্যান্ত গোপনীয় রাখা হয় টানা ১১দিন। যেটা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের সকল বিভাগই অজ্ঞ ছিল। সদ্য কারামুক্তদের খবরে বাদীপক্ষ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে চাপ প্রয়োগ করলে আত্মসমর্পণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।


তবে একাধিক হত্যার পর জামিনে মুক্তি পাওয়া কিলার শরীফ নাসির হত্যা কওে সেই মামলায় কারাবরণ করলেও এই মামলা থেকে নিমিষেই রেহাই পেয়ে যাবেন এমনটাই অভিমত প্রকাশ করেছেন জেল পার্টনারদের। এছাড়া শরীফ মুক্ত হয়েই আওয়ামীলীগ পতনের পর ৫  আগষ্টের পর রাইফেল ক্লাব থেকে লুট করা বিশাল অস্ত্র ভান্ডার রয়েছে যেগুলো দিয়ে পুরো চাঁনমারী এলাকায় একাধিক ব্যক্তিকে হত্যার মাধ্যমে লাশের পাহাড় বানাবেন এমন হুক্কার দিচ্ছেন কারাগারে বসেই। এছাড়া আদালাতে রিমান্ড শুনানীতে যাওয়ার পথে আসামী পক্ষকে দেখে বিভিন্ন উষ্কানীমূলক অঙ্গভঙ্গী মন্তব্য করায় আসামীপক্ষ উত্তেজিত হয়ে মারধর করেন। এদিকে প্রশ্ন উঠছে পেশার খুনী শরীফের অর্থের উৎস কী? এছাড়া তার খুঁটির জোড় এবং শেল্টারদাতা কারা কাদের প্রভাবে আত্মসমর্পণ করেও বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন।


সূত্র বলছে, একাধিক হত্যার পর ফের কারাবরণ করেও দাম্ভিকতা দেখাচ্ছেন শরীফ। রিমান্ড শুনানীতে ৫দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। বাদীপক্ষ এখন অপেক্ষমান রয়েছে রিমান্ডে কি স্বীকাররোক্তি উঠে আসে। বাদীপক্ষের প্রত্যাশা নাসির হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রমের সাথে সাথে শরীফের অস্ত্রের ভান্ডারেও হানা দেয়া। বাদীপক্ষদের উদ্দেশ্য করে কারাগারে বসেই হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। এমন শঙ্কার কথাই নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষ।


এদিকে গত ১৪ মে নাসির হত্যার পর থেকেই প্রশাসনের ভূমিকা ছিল অত্যান্ত নাজুক। এই পর্যন্ত ৫জন আসামী এই মামলায় কারাগারে থাকলেও তাদের গ্রেফতারে প্রশাসনের কৃতিত্ব নেই। কারণ প্রধান আসামী শরীফ আত্মসমর্পণ করেছেন এবং তার ৪ ভাইকে উদ্ধার করে পুলিশে সোপর্দ করে বাদীপক্ষ। নাসির হত্যা মামলার ১০ জন আসামীর মধ্যে ৪ জন আসামী অধরা থাকায় বাদীপক্ষের শঙ্কা রয়েছে তাদেরকে গ্রেফতারে প্রশাসনের ধীরগতি থাকবে।


নাসির হত্যার আসামীদের একের পর এক আস্ফলনে চাঁনমারী এলাকায় ভীতি সৃষ্টি হচ্ছে। বাদীপক্ষের দাবি,প্রধান আসামী শরীফকে রিমান্ডে মধ্য দিয়ে মামলার রহস্য সঠিকভাবে উদঘাটন। এছাড়া প্রধান আসামী শরীফের অবৈধ অস্ত্রের ভান্ডার অভিযানের মাধ্যমে অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদকের স্পটগুলো ধ্বংস করে দেয়া। অন্যান্য আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের মাধ্যমে মামলার রহস্য উদঘাটন শেষে দ্রুত বিচার কার্য বাস্তবায়ন করা।


এসকল দুর্ধর্ষ আসামীরা কোন ক্রমেই নাসির হত্যা মামলা থেকে রেহাই না পায় সেদিকে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। প্রধান আসামী শরীফসহ অন্যান্য আসামী এর আগেও একাধিক হত্যা মামলায় জামিন লাভ করলেও ফের হত্যা করে কারাবরণ করেছেন। নাসির হত্যাকারীরা একের পর এক হত্যা করে মুক্তি পেয়ে মাদক ব্যবসার সাথে মানুষ হত্যা করা তাদের পেশা হয়ে উঠেছে।      


Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন