পুলিশের তালিকায় ওসমান সহযোগিদের নাম নেই
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম
পুলিশের তালিকায় ওসমান সহযোগিদের নাম নেই
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার আওতাধীন গত ১৮ আগস্ট রাত ১০টায় গোগনগর ইউনিয়নের শিষমহল (চায়না প্রজেক্ট) এলাকায় মশাল মিছিল করেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সেখানে ভিডিওতে প্রায় শতাধীক নেতাকর্মীদের মিছিলে অংশ গ্রহণ করতে দেখা যায়।
নারায়ণগঞ্জ-মুন্সীগঞ্জ সড়কে মিছিলটিতে নিয়ে প্রায় ৩-৪ মিনিট সরকার বিরোধী স্লোগানদেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা। মশাল মিছিল ও সরকার বিরোধী স্লোগান দেওয়া অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বিল্লাল হোসাইন বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭০ থেকে ৮০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়।
তার সাথে সহযোগি হিসেবে সব সময় থাকতেন নওশেদ চেয়ারম্যানের ছেলে রাজু। এছাড়াও তাদের আরেক ব্যবসায়ী পার্টনাল ছিলেন, গোগনগর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার নূর হোসেন সওদাগর। যিনি ৫ আগস্টের আগে ছাত্র-জনতার উপর হামলা চালিয়েছে বলে, তাকে দল থেকে গোগনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সদস্য সচিব পদ দেওয়া হয়। এছাড়াও চেয়ারম্যান ফজর আলী নিকট তম লোক ও ওসমান পরিবারের কাছের লোক ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার রুবেল হোসেন ও বিগত আওয়ামীলীগ আমলে বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী তৈরী করেছিলেন। তাছাড়া ২৪’র ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সামনে শামীম ওসমানের সাথে ছাত্র-জনতার উপর হামলা চালিয়েছিলেন ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার ইকবাল হোসেন বাপ্পী।
বর্তমানে কাসেম সম্রাট, রানা, রাজু, রুবেল মেম্বার, বাপ্পী এলাকায় ঘুরে বেড়ান। এছাড়াও গোগনগর ইউনিয়নের সকল সদস্য বিগত সময় আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টির সাথে জড়িত থাকায়, অনেকে মনে করেন সেই রাতের মিছিলটি তাদের নেতৃত্বেই করা হয়েছে। কারণ সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন এর বাড়ির পাশে মিছিলটি হয়েছে। সেখানে তার সেচ্ছাসেবক লীগের অনেক কর্মী রয়েছে। এছাড়াও গোগনগর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন বিগত সময় শামীম ওসমান, সেলিম ওসমান,
অয়ন ওসমানের সাথে বিভিন্ন মিটিং মিছিলে থাকায় এবং আওয়ামীলীগ রাজনীতি করায় সেখানে তারও আওয়ামীলীগের কর্মী বাহিনী রয়েছে। এছাড়াও তার সাথে সহযোগি হিসেবে রয়েছেন ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার রফিকুল ইসলাম রফিক ও ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার বিপ্লব হোসেন। তারা সকলেই বিগত সময় সেলিম ওসমান ও অয়ন ওসমানের কাছে লোক হিসেবে কাজ করতেন। তাই এলাকার অনেকেই্ মনে করছে বিএনপির নেতাদের অর্থ দিয়ে এলাকায় এসকল কাজ করছে তারা। সেই কারনে অনেকের বিরুদ্ধে মামলা হলেও, মামলায় নেই তাদের নাম।


