ছবি- ICC fb
বাংলাদেশের রানের খরা যেনো কাটছেই না। টপ ওর্ডারের ব্যর্থতার সাথে মিডল ওর্ডারের ব্যাটাররাও রানের দেখা পাচ্ছেন না। ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের কারণে সাতটি সেশন পানিতে ভেসে গেলেও হার এড়াতে হিমশিম খাচ্ছে বাংলাদেশ।
প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান দল ৩০০ রানের সংগ্রহ করে ডিক্লেয়ার করে দেয়। আজহার আরীর ৫৬, বাবর আজমের ৭৬, ফায়াদ আলমের ৫০, রিজওয়ানের ৫৩ রানের ওপর ভার করে এই রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান দল।
বিপরীতে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে সাজিদ খানের বোলিং ঘূর্ণিতে দিশেহারা হয়ে পড়ে টাইগাররা। ৩৬ রান খরচ করে একাই ৬ উইকেট তুলে নেয় সাজিদ। মুমিনুল হক রান আউটে শিকার বাদে সবাই শিকার হয়েছে সাজিদের বলে।
মাহমুদুল হাসান জয় আউট হয়েছেন তৃতীয় ওভারে। ৭ বল খেললেও তিনি রান করতে পারেননি কোনো। আরেক অপেনার সাদমান বাড়তি বাউন্সের কারণে ৩ রান করে ক্যাচ আউট হয়ে ফিরে যায়।
দ্রুত রান নেওয়ার আশায় ব্যক্তিগত ১ রানে এবং দলগত ২২ রানে রান আউটে নিজের উইকেট হারায় বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হক।
চট্টগ্রাম টেস্টের নৈপুণ্যে এই টেস্টে দেখাতে পারলেন না মুশফিকুর রহিম। মাত্র ৫ রান করে সাজিদের বলে ক্যাচ তুলে দেন শর্ট মিড উইকেটে। চট্টগ্রাম টেস্টে দ্যুতি ছড়ানো আরেক খেলোয়াড় লিটন দাসও টিকতে পারে নি সাজিদের বিপক্ষে। ৬ রান করে বোলার সাজিদের হাতেই ক্যাচ তুলে মাঠ ছাড়েন লিটন।
৪৬ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর একমাত্র ভরসার প্রতীক দেখাচ্ছিলো নাজমুল হাসান শান্তকে। কিন্তু সেও নিজের ইনিংষ দীর্ঘ করতে পারেননি। দলের এখন অবধি সবোর্চ্চ ৩০ রান করে নিঝের উইকেট হারায় সে।
বির্যয়ের মুখে পড়া বাংলাদেশের বিপদে আরও বাড়ে মেহেদী মিরাজ শূন্য রান করে বোল্ড হলে। সাজিদের অফস্পিন খেলতেই পারেননি তিনি। তার বিদায়ে পতন হয় সপ্তম উইকেটের।
পঞ্চম দিনে ৭৬ রানের সাথে ব্যাটিং শুরু করবে বাংলাদেশ। ২৩ রান করে অপরাজিত সাকিব ও ০ রান করে অপরাজিত তাইজুল শুরু করবে কালকের দিন।
বাংলাদেশের এখন হার এড়ানোই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রায় তিন দিন বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার পড়েও এরকম পরিস্থিতি দেশের কোন ক্রিকেটপ্রেমীদেরই কাম্য নয়।


