বৃহস্পতিবার   ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪   ফাল্গুন ১০ ১৪৩০

ফতুল্লায় নয়া আতঙ্ক কিশোর গ্যাং লিডার ইমরান

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪  

 

# তাঁর নির্দেশনায় এলাকায় চলে হরদম মাদক বাণিজ্যে

 

 

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার কুতুবপুরে কথিত যুবলীগ নেতার ইমরান হোসেন ইদরানের হামলার শিকার হওয়া যুবক আবজাল থানায় অভিযোগ করলে পরে সেটি মামলা রুজু হয়। তবে গত ২৯ জানুয়ারী এই হামালার ঘটনায় মামলা হলেও প্রশাসন কাউকেই গ্রেফতার করতে সক্ষম হ্য়নি।

 

 খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, কথিত এই যুবলীগ নেতা ইমরান হোসেন ইদরান বিভিন্ন সময় নারায়ণগঞ্জে ওসমান পরিবারের সদস্যদের সাথে ছবি ছেড়ে নিজেকে ওসমান পরিবারের ঘনিষ্ট আস্থাভাজন পরিচয় দিয়ে থাকেন। শুধু তাই নয় নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের এমপি শামীম ওসমানের একমাত্র পুত্র অয়ন ওসমানের আস্থাভাজন দাবি করে এলাকায় অনেকটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।

 

এলাকায় গড়ে তুলেছেন বিশাল সন্ত্রাসী বাহীনি। আর এই সকল সন্ত্রাসীরা বেশিরভাগই কিশোর এই সকল কিশোরদের মাধ্যমে ইমরান বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করায় এবং মাদক বিক্রি করায় এবং তার এই মাদক বিক্রি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে কোন ধরনের বাধা প্রদান করলেই তার ওপর চলে পাশবিক অত্যাচার। তারই ধারাবাহিকতায় ২৯ জুলাই দুপুরে আফজাল নামে এক যুবককে একা পেয়ে এলোপাথারি পেটাতে থাকে।

 

পরবর্তী মার খেয়ে আহত আবজাল প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ফতুল্লা থানায় গিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করে। আর এই ঘটনার বেশ কয়েকজনের নাম: ১/ ইমরান পিতা পিতা, ইউসুফ বেপারী ২/ নাইম ৩/ লিমন ৪/ কালু ইমরান ৫/ ইকবাল ৬/ তানভীন সহ আরও বেশ কয়েকজন অজ্ঞাত উল্লেখ করা হয় মামলাতে।

 

আরও জানা গেছে, কুতুবপুরের বিভিন্ন এলাকাতে তারা আধিপত্য ধরে রাখতে নিজস্ব বিশাল বাহিনী। আর এই বাহিনীর দ্বারা কিছুদিন পরই হামলার শিকার হন অনেকেই আবার অনেকেই তাদের ভয়ে মামলা করতেও ভয় পান। কিশোর গ্যাং লিডার ইমরান ও তার বড় ভাই লিমনের নেতৃত্বে তার চাচাতো ভাই নাইম ও তার ভাগিনা তানভীর সহ বেশ কয়েকজন মাদকের সাথে সরাসরি জরিত এমনটাও জানা গেছে।

 

ইমরানের আরেক সহযোগী মিশাল কিছুদিন আগে ডিবি পুলিশের কাছে কয়েকশত পিস ইয়াবা সহ ধরা পড়ে এখনো জেল হাজতে আছে। এলাকায় আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী মীর হোসেন মীরুর সাথে পাল্লা দিয়ে করে যাচ্ছে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, শাহীবাজার, বউবাজার বটতলা, রেললাইন, রসুলপুর সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় তাদের নিজস্ব আধিপত্যে ধরে রেখেছেন এমনকি তাদের এই সকল কর্মকাণ্ডে কেউ কোন ধরনের বাধা পদান করলে তার উপর চলে পাশবিক অত্যাচার।

 

এলাকায় কেউ কোন নতুন বাড়ি করতে হলে তাদের কাছ থেকেই সকল মালামাল নিতে হবে কেউ যদি তাদের কাছ থেকে মাল ক্রয় না করে অন্য কোন জায়গা থেকে ক্রয় করে তাহলে তাদের বাড়ির কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

 

বেশ কিছুদিন আগে কুতুবপুরে বৈড়াগীবাড়ি এলাকায় ইমরানের চাচাতো ভাই নাঈম ইট, বালু, সিমেন্টের ব্যবসা করে তার কাছ থেকে মালামাল না নেওয়াতে অন্য জায়গা থেকে আনা মালামাল আটকে রাখে পরবর্তীতে তাৎক্ষণিক কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু আসলে গাড়ি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় নাঈম এই ঘটনায় চেয়ারম্যান হুসিয়ারী করে দিয়েছেন বাড়ি করার জন্য নিজে নিজেই মালামাল আনবে কেউ বাধা দিতে পারবে না। আর যেই জোর করবে তার আইনের হাতে সোপর্দ করতে হবে সে যেই হোন না কেন।

 

এলাকাবাসী এই সকল সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রক্ষা পেতে চায়। তাই প্রশাসনের আরও তদারকি বাড়ানো উচিৎ এটাই প্রত্যাশা করে এই এলাকার সাধারণ মানুষ। এস.এ/জেসি 
 
 

এই বিভাগের আরো খবর