বৃহস্পতিবার   ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪   ফাল্গুন ১০ ১৪৩০

বন্দর থানায় অভিযোগ করতে গিয়ে আটক ৩

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি ২০২৪  

 

থানায় অভিযোগ করতে এসে দুই পক্ষের উত্তেজনার ঘটনায় উভয় পক্ষের ৩ জনকে দীর্ঘ ১২ ঘন্টা থানা হাজতে আটক রাখার পর স্থানীয় মেম্বারের সহায়তা আটককৃতদের পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে মুচলেকা মাধ্যমে আটককৃত ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে বন্দর থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।

 

রোববার (২২ জানুয়ারী) দুপুর ১২টায় আটককৃতদের থানা হাজত থেকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। আটককৃতরা হলো বন্দর উপজেলার নবীগঞ্জ কদমতলী এলাকার ফরিদ উদ্দিন মিয়ার ছেলে জামান (৩০) বন্দর থানার পশ্চিম হাজীপুর এলাকার কামাল মিয়ার ২ ছেলে হাবিব (২০) ও শামীম (২২)। এর আগে গত শনিবার (২১ জানুয়ারী) রাতে বন্দর থানার পুলিশ পরিদর্শক আবু বক্কর সিদ্দিকের র্নিদেশে থানার বারান্দার সামনে থেকে উল্লেখিতদের আটক করা হয়।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, গত শনিবার রাতে বন্দর থানার পশ্চিম হাজীপুর এলাকার মৃত ইউছা মিয়ার ছেলে চাচা শাহআলম মিয়ার সাথে একই থানার নবীগঞ্জ কদমতলী এলাকার ফরিদ উদ্দিন মিয়ার ছেলে সন্ত্রাসী জামানের সাথে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সন্ত্রাসী জামান ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে চাচা শাহআলমকে জখম করে। ওই সময় শাহআলম মিয়ার অপর দুই ভাতিজা হাবিব ও শামীম তার চাচাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ভাতিজা জামান তাদেরকেও কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।

 

এ ঘটনায় উভয় পক্ষ রাতে থানায় অভিযোগ দায়ের করতে আসলে সে  সময় উভয় পক্ষ থানার ভিতরে উত্তেজিত হয়ে পরে। এক পর্যায়ে বন্দর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু বক্কর সিদ্দিক উভয় পক্ষের তিন জনকে থানার বারান্দা থেকে আটক করে।  

 

এ ঘটনায় কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ড মেম্বার একাধিক মামলার আসামি মাহাবুব খবর পেয়ে রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বন্দর থানায় ব্যাপক তদবির চালিয়ে দুপুরে বন্দর থানার পুলিশ পরিদর্শক ( তদন্ত) আবু বক্কর সিদ্দিককে ১৫ হাজার টাকা উৎকোচ দিয়ে দুপুর ১২ টায় আটককৃতদের থানা হাজত থেকে ছাড়িয়ে আনে।

 

এ বিষয়ে কথা বলতে বন্দর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু বক্কর সিদ্দিককের মোবাইলে একাধিক ফোন দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এস.এ/জেসি 

এই বিভাগের আরো খবর