বৃহস্পতিবার   ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪   ফাল্গুন ১০ ১৪৩০

রাস্তা নয় যেন মরণফাঁদ

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪  


নারায়ণগঞ্জ সদর বন্দর উপজেলায় ইউনিয়নস্থ ১নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ কলাবাগ এলাকার রাস্তাটি র্দীঘদিন যাবৎ  বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে। রাস্তাটি দিয়ে হাঁটাই যেন দুষ্কর হয়ে পড়েছে। সংস্কার না হওয়ার কারণে প্রতিনিয়তই ঘটছে নানান অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা। রাস্তাটি এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে এখন মরনফাদে পরিণত হয়েছে। সড়কটি টেন্ডারকৃত করা হলেও কোনো সংস্কারের কাজ এখন পর্যন্ত হওয়ার কোনো নামগন্ধও দেখছে না এলাকাবাসী।

 

 

দীর্ঘ ৭ বছর ধরে একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে এলাকার রাস্তাটি। যেখানে সড়কটি দিয়ে কোনো যান চলাচল করাও অনুপযোগি সেখানে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করে আসছে এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে এলাকার রাস্তাটি। এমন পরিস্থিতিতে এলাকার জনপ্রতিনিধিদের প্রতি ক্ষোভ ও অভিযোগ প্রকাশ করেছেন সেখানে বসবাসরত শত শত সাধারণ মানুষ।

 


সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তাটির বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় খানা-খন্দে ভরপুর, একটু বৃষ্টি হলেই হাঁটু সমান পানি হয়ে যায়। বিশেষ করে এলাকার অসুস্থ্য বয়স্ক মানুষ ও গর্ভবতী নারীদের নিয়ে যাতায়াত কালে অধিক ঝুঁকিপুর্ণ হয়ে উঠে।

 

 

দেখা যায় ওই পথ দিয়ে অটোরিকশা বা ভ্যানগাড়ি কোনোরকমে নিয়ে আনা হলেও অসাবধানতাবসত যাতায়াতকালে পাশে থাকা খালে পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে অনেকে। জানা যায়, দক্ষিন কলাবাগের এই রাস্তাটি ত্রিবেনি খাল ঘেঁষে গড়ে তোলা হয়েছে।

 


বন্দর ইউনিয়নস্থ ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, রাস্তাটি খুবই নাজুক অবস্থা, স্কুলের শিক্ষার্থীরা এই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। নির্বাচনের সময় মেম্বাররা এসে প্রতিশ্রুতি দিয়ে যায়, নির্বাচন গেলেই খবর থাকে না তাদের।

 

 

খালের পার দিয়ে রাস্তাটি তৈরি হওয়ায় বৃষ্টির দিনে প্রায় সময় পা পিছলিয়ে খালে পরে যাওয়ার সম্ভাবনা হয় এবং বর্ষাকালে এখানে প্রায় সবসময় পানি জমে থাকে যার ফলে ডেঙ্গু মশার জর্ন্ম হয়। এই কারনে কোনো অটোরিকশা বা ভেনগাড়ি এ এলাকায় আসতেই চায় না।  

 


সেখানের স্থানীয় বাসিন্দা চঞ্চল শেখ বলেন, আজ থেকে ৬-৭ বছর যাবৎ ধরে রাস্থাটির এমন অবস্থা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এ বিষয়ে একাধিকবার জানানো হলেও তারা এর কোনো ব্যবস্থাই করেনি।

 

এই রাস্তায় দিনের বেলাই চলতে কষ্ট হয় আর রাতের বেলা কাজ থেকে ফিরার পথে প্রায় সময় বড় গর্ত গুলোয় পড়ে আহত হতে হয়। এই সড়কটি একবারও তারা এসে একটু পর্যবেক্ষন করেছে কিনা আজ অবদি তা দেখিনি। ভোটের সময় তাদের দেখা পাওয়া যায় তা না হলে তাদের খুজে পাওয়াই মুশকিল।

 


এ বিষয়ে বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহমেদ বলেন, গত ২ মাস আগে টেন্ডারকৃত করা হয়েছে রাস্তাটি,এটার কাজ হবে যেকোনো সময়। এখন যে টেন্ডার পেয়েছে  সে কেনো আসছেনা সেটা তো আমি জানি না। খোজ-খবর নেওয়া হয়েছে আর আমিও তাকে চিনিনা। এ বিষয়ে  আমাদের প্রকৈাশলীও খুজে বের করার চেষ্টা করছে।   এন. হুসেইন রনী  /জেসি

এই বিভাগের আরো খবর