বুধবার   ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪   ফাল্গুন ১৬ ১৪৩০

খেরসনের মূল ভূখণ্ড থেকে রুশ সেনা প্রত্যাহার; বইছে আনন্দের বন্যা

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৩ নভেম্বর ২০২২  

খেরসনে ইউক্রেনীয়দের জয়, বইছে আনন্দের বন্যা

খেরসনে ইউক্রেনীয়দের জয়, বইছে আনন্দের বন্যা

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, খেরসন থেকে রুশ সেনা প্রত্যাহার দেখে বোঝা যাচ্ছে, তারা যুদ্ধে সত্যিকারের সমস্যায় পড়েছে।

 

 

চলতি বছর ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসন শুরুর পর যে অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল দেশটি সেই খেরসন আবার তাদের দখলে। তাই বাঁধভাঙা উল্লাস যেন থামছে না। শুক্রবার (১১ নভেম্বর) ইউক্রেনের সেনাদের স্বাগত জানালো আঞ্চলিক রাজধানী খেরসনের বাসিন্দারা।

 

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, খেরসনের বাসিন্দারা পতাকা হাতে রাস্তায় নেমে উল্লাস করছেন ও স্লোগান দিচ্ছেন।

 

 

শুক্রবার সন্ধ্যায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘আজকের দিনটি একটি ঐতিহাসিক দিন, আমরা দেশের দক্ষিণাঞ্চল ফিরে পাচ্ছি, আমরা খেরসন ফিরে পাচ্ছি’। তিনি আরও জানান, এরইমধ্যে ইউক্রেনের সেনারা শহরে প্রবেশ করেছে।

 

 

খেরসনের এক বাসিন্দা বলেন, ‘খেরসন এখন মুক্ত। এটি একটি ভিন্ন সকাল। প্রত্যেকে এই সকালের জন্য কেঁদেছে’। তিনি আরও বলেন, ইউক্রেনীয় সেনাদের সবাই আলিঙ্গন করতে চায় এই আনন্দঘন মূহুর্তে।

 

 

হোয়াইট হাউজের তরফে বলা হচ্ছে, ‘এটি একটি অসাধারণ বিজয়’।

 

 

রুশ সেনা খেরসন থেকে সরে গিয়ে নিপ্রো নদীর পূর্ব তীরে চলে যাবে বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী। খেরসন শহরের অবস্থান নদীটির উত্তর দিকে। বুধবারই রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু খেরসন থেকে তাদের সেনাবাহিনীকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

 

 

রুশ জেনারেল সুরোভিকিন টেলিভিশন বার্তায় বলেছেন, এখন খেরসন ও অন্য জায়গায় রসদ সরবরাহ সম্ভব নয়। তাই সেনাকে সরিয়ে অন্য তীরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাতে সায় দিয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, সেনা, অস্ত্রশস্ত্র ও অন্য জিনিসপত্র নিরাপদে নদীর অন্য তীরে নিয়ে যেতে হবে।

 

 

অবশ্য গত বুধবার খেরসন থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেয় মস্কো। তবে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেই ঘোষণায় উপস্থিত ছিলেন না।

 

 

খেরসন থেকে রুশ সেনারা চলে যাওয়ার পর খেরসন এখন ইউক্রেনের সেনাদের দখলে। সেখানকার মানুষদের আনন্দ-উল্লাস যেন থামছেই না। খেরসনের স্থানীয় সম্প্রচার মাধ্যমগুলো আবারও কিয়েভের খবর সম্প্রচার করা শুরু করেছে। এন.এইচ/জেসি

এই বিভাগের আরো খবর